'ঠাকুরবাড়ি রাজনীতিমুক্ত' প্রসঙ্গে শান্তনুকে কোন বার্তা মমতার! সরগরম বনগাঁর রাজনীতি
'ঠাকুরবাড়ি রাজনীতিমুক্ত' প্রসঙ্গে শান্তনুকে কোন বার্তা মমতার! সরগরম ঠাকুরনগরের রাজনীতি
ভোটযুদ্ধে ক্রমেই সরগরম হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরের রাজনীতি। ঠাকুরবাড়িকে রাজনীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েও জেঠিমা মমতাবালর বিরুদ্ধে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। যদিও প্রতিপক্ষ কে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন তৃণমূলের প্রার্থী মমতাবালা ঠাকুর। তাঁর দাবি শান্তনু হোক বা সুব্রত, তাঁদের মিথ্যাচারের বিরুদ্দে এবার জবাব দেবে জনগণ। কারণ ঠাকুরবাড়িকে রাজনীতিমুক্ত করবেন বলে নিজেই রাজনীতিতে আসছেন শান্তনু। আর তা নিয়েই এদিন তোপ দাগেন মমতা বালা।

এদিন,গাইঘাটা জলেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে জামা মসজিদ থেকে আশীর্বাদ নিয়েই রবিবারের প্রচার শুরু করলেন বনগাঁ লোকসভা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মমতাবালা ঠাকুর ৷
রবিবার সকালে মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর জলেশ্বর এলাকায় ভোটের প্রচার করেন তিনি। রাস্তায় গাড়ি দাঁড়িয়ে যায় এবং যাত্রীদের সঙ্গে করমর্দন করে আশীর্বাদ প্রার্থনাও করেন তিনি। এদিন শান্তনু ঠাকুর সম্পর্কে তিনি বলেন "মতুয়াদের সঙ্গে এতদিন মিথ্যাচার করেছে শান্তনু ঠাকুর । তাঁর আসল রূপ বেরিয়ে পড়েছে৷ এবার তার জয়ের ব্যবধান গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে বলেন।
এর আগে শান্তনু বলেন, মতুয়াদের স্বার্থে আমাকে নির্বাচনে লড়তেই হবে। সমগ্র জাতির হয়ে তাঁকে লড়তে হবে। তিনি আরও জানান, তৃণমূলের তরফে মমতাবালা ঠাকুর ভোটে দাঁড়িয়েছেন। তাই আমরা ঠাকুরবাড়িতে রাজনীতি মুক্ত করতে পারলাম না। ঠাকুরবাড়ির স্বার্থেই আমাকে ভোটে দাঁড়াতে হবে। তিনি বলেন, উদ্বাস্তু বিল পাস করার কথা ছিল, কিন্তু তার বিরোধিতা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নিজেদের স্বার্থে তাঁরা বিরোধিতা করছে। মমতাবালা ঠাকুরও তৃণমূলের দাবির সঙ্গে একমত হয়েছেন। পি আর ঠাকুর ও বীণাপাণি ঠাকুরের যে আন্দোলন, তা ব্যর্থ হতে দিতে পারি না। তাই আমাকে নির্বাচনে লড়তে হবে।












Click it and Unblock the Notifications