নম্বর রয়েছে সবার কাছে, ডাকলেই পাওয়া যাবে! সুন্দরবনের জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার নূসরতের
রাজ্যের দুই প্রভাবপশালী মন্ত্রীকে নিয়ে প্রচার শুরু করলেন বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী নুসরাত জাহান। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর বসিরহাটের প্রথম জনসভায় হয় সন্দেশখালির সরবেরিয়া।
রাজ্যের দুই প্রভাবপশালী মন্ত্রীকে নিয়ে প্রচার শুরু করলেন বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী নুসরাত জাহান। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর বসিরহাটের প্রথম জনসভায় হয় সন্দেশখালির সরবেরিয়া। এদিন জনসভায় গিয়ে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, তিনি উপস্থিত জনগণের সহকর্মী। তাঁদেরকে পেয়ে খুশি। এক নতুন সংগ্রামের সৈনিক তিনি।

উপস্থিত জনগণের কাছে তাঁর পাশে থাকার অঙ্গীকার করিয়ে নেন নূসরত জাহান। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন নিয়ে তিনি নিজে মুখে কিছুই বলবেন না। জনগণই দেখেছেন রাজ্যের উন্নয়ন। নূসরতের আবেদন, তাঁকে না, মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে যেন ভোট দেন তাঁরা। জনগণের সুবিধা অসুবিধায় পাশে থাকার কথা জানান নূসরত। জেলা নেতৃত্ব
থেকে স্থানীয় সবার কাছেই তার নম্বর রয়েছে বলে জানিয়ে নূসরত বলেন, তাকে ডাকলেই পাওয়া যাবে। তিনি ভারতবর্ষ বা রাজ্যের বাইরে থাকেন না। কলকাতায় থাকেন,
সব সময় পাশে পাবেন বলে আশ্বত্ব করেন।
এদিন নিজের সম্পর্কে তিনি নূসjl বলেন, তিনি পরিশ্রমী। পরিশ্রম করে এই জায়গায় পৌঁছেছেন। এবার মানুষের জন্য সংগ্রাম করবেন। কাজ করবেন। দিদির উন্নয়নে সামিল হয়েছেন। তিনি নিজেকে মাটির মেয়ে বলেও দাবি করেন।
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, নূসরাত জাহান আজকের থেকে বসিরহাট লোকসভার ঘরের মানুষ, অভিভাবিকা। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর নাম করে তিনি বলেন, তৃণমূল নাকি তার পোস্টার ছাপিয়ে অপপ্রচার করছে। কিন্তু তারা বিজেপি এজেন্সি নিয়ে বসে নেই। নূসরত জাহান বলেন, তিনি একজন অভিভাবিকা। দলের সৈনিক এই মাটির মেয়ে সহকর্মী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে উন্নয়ন করছে সেই উন্নয়নের শরিক হতে চান। তাই দুহাত ভরে আশীর্বাদ করার জন্য আবেদন করেন। নূসরত বলেন এতদিন তিনি সিনেমা করেছেন আর জনগণ তার সিনেমা দেখেছেন। কিন্তু এখন বাস্তবে মানুষের সঙ্গে মিশে বিশেষ করে সুন্দরবনের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে চান তিনি।
এদিন সন্দেশখলি থেকে মধ্যাহ্নভোজ সেরে তিনি বেরিয়ে পড়েন পরবর্তী জনসভাযর জন্য। মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, শুক্ত, মাছ, মাংস, চাটনি, পাপর, মিষ্টি। নূসরত বলেন, তিনি বাঙালি। তাই বাঙালি খাবারই বেশি পছন্দ করেন।
এদিন উন্নয়নমুখী কথা শুনতে মানুষের ঢল নেমেছিল সুন্দরবনের সরবেড়িয়া ফুটবল মাঠে। এরপর মিনাখা, হাড়োয়া ও শাসনে কর্মিসভা করে প্রচার। নূসরত জাহানের সঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু ছিলেন। ছিলেন জেলার কার্যকারী সভাপতি নারায়ণ গোস্বামী, নির্মল মাঝি, সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো, সভাপতি শেখ শাহাজান, শিবু প্রসাদ হাজরা এবং সংখ্যালঘু নেতা আব্দুল মোল্লা।












Click it and Unblock the Notifications