উপনির্বাচনে হারে ভাঙন-আতঙ্কে কাঁপছে বিজেপি, এনআরসিতে ‘লক্ষ্মীলাভ’ তৃণমূল কংগ্রেসের
উপনির্বাচনে হারার পরই বিজেপি নড়ে গিয়েছে। তার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে সিএবি। দলে দলে বিজেপি নেতা-কর্মীরা তাই দল ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে আসছেন।
উপনির্বাচনে হারার পরই বিজেপি নড়ে গিয়েছে। তার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে সিএবি। দলে দলে বিজেপি নেতা-কর্মীরা তাই দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসছেন। বর্ধমানে এনআরসি আতঙ্কে দল ছাড়ার খবর মিলেছে। এবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে ভাঙন ধরে গেল গেরুয়া শিবিরে। উপনির্বাচনে হারের পর তাই চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে বিজেপি নেতৃত্বের।

বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে তৃণমূলে
এনআরসি ও নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে বিব্রত বিজেপি নেতৃ্ত্ব। তার প্রভাব পড়ছে দলে। এনআরসি লাগু করলে দেশ ছাড়া হতে হবে- এই আতঙ্কে বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ করে তৃণমূলে যোগদান করার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বিজেপির রক্তক্ষরণ জারি রয়েছে সর্বত্রই।

তৃণমূলে যোগ দিয়েই নিশানা বিজেপিকে
বিষ্ণপুর সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সহ সভাপতি পিনাকি দাসের নেতৃত্বে এবং বিজেপি মণ্ডল সভাপতি বিশ্বজিৎ মাহাতোর নেতৃ্ত্বে বিজেপি নেতৃস্থানীয় সদস্যরা দল ছাড়ছেন। তাঁরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বিজেপির বিরুদ্ধে। এদিন তেমনই বর্ধমানের জামালপুরের বিজেপি সদস্যরা তৃণমূলে যোগ দিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি বিরুদ্ধে।

তৃণমূলই একমাত্র এনআরসির বিরুদ্ধে আন্দোলনে
তৃণমূলে যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছে পাঁচড়া ও পাড়াতল গ্রাম পঞ্চায়েতের দুজন বিজেপির বুথ প্রমুখ। তৃণমূলে যোগদান করে বিজেপির বুথ প্রমুখ রামপদ মাণ্ডি, জয়ন্ত মালিক বলেন, এনআরসি লাগু করে বিজেপি এই দেশের বাসিন্দাদের দেশছাড়া করতে চাইছে। একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস এনআরসির বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

এনআরসি-বিরোধী প্রচারে বিজেপি ভাঙছে তৃণমূল
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল প্রথম থেকেই বলে আসছে, রাজ্যে এনআরসি চালু করতে দেওয়া হবে না। এনআরসির বিরুদ্ধে লাগাতার প্রচার চালিয়ে তিন উপনির্বাচনে জয়ও ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। এখনও সিএবি ও এনআরসির বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। তার ফলস্বরূপ বিজেপিকে ভাঙতেও সফল হচ্ছে তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications