মালদহ জেলা পরিষদ কার দখলে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের গেরোয় আটকে ভবিষ্যৎ
মালদহ জেলা পরিষদ কার দখলে, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের গেরোয় আটকে ভবিষ্যৎ
মালদহ জেলা পরিষদ কার দখলে, তা নিয়ে টানাপোড়েন অব্যাহত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে। ভোটের মরশুমে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দল পরস্পর দাবি করছে, তাঁদের দখলে রয়েছে মালদহ জেলা পরিষদ। দলবদলের গেরোয় এখন আটকে মালদহ জেলা পরিষদের ভবিষ্যৎ। বিজেপির দাবি নস্যাৎ করে তৃণমূল বলছে, ভোট হলেই বোঝা যাবে জেলা পরিষদ কার!

হিসেব ঘেঁটে যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানে
মালদহ জেলা পরিষদের আসনসংখ্যা ৩৮। একজন সদস্যের মৃত্যুতে তা কমে এখন ৩৭। অতএব ম্যাজিক ফিগার এখন ১৯। বিজেপির এক সদস্য আগে যোগ দেন তৃণমূলে। ফলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা এখন ৫, কংগ্রেসের ২, বাকি ৩০ জন তৃণমূলের। ফলে জেলা পরিষদ ছিল তৃণমূলের দখলে। সেই হিসেব ঘেঁটে যায় শুভেন্দুর হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানে।

বিজেপির পরিসংখ্যান-তত্ত্ব মানতে নারাজ তৃণমূল
বিজেপির দাবি, তৃণমূল থেকে তাঁদের দলে যোগদান করেছেন ১৬ জন। ফলে বর্তমানে বিজেপির জেলা পরিষদ সদস্য সংখ্যা ২। সেই নিরিখি জেলা পরিষদের বোর্ডের ক্ষমতা এখন তাঁদের দখলে। কিন্তু বিজেপির এই তত্ত্ব মানতে নারাজ তৃণমূল। তৃণমূল জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নূর বলেন, বিজেপি ভুল পরিসংখ্যান দিচ্ছে।

বিজেপিতে যোগ দেননি তৃণমূলেই আছেন, দাবি
তৃণমূলের দাবি, বিজেপিতে ১৬ জন যোগ দেননি। ওই সংখ্যা অনেক কম। চারজন তো লিখি্তভাবে জানিয়েছেন, তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেননি, তৃণমূলেই আছেন। বিজেপির দাবি করছেন তাঁদের পক্ষে ২১। আর তৃণমূল দাবি করছে, তাঁদের পক্ষে ২১। এই নিয়েই টানাপোড়েন চলছে মালদহ জেলা পরিষদ নিয়ে।

ভোটাভুটি পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই
তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, বন্দনারানি ঘোষ, সন্তোষ চৌধুরী, শ্যামলকুমার মণ্ডল ও দীনেশ টুডু নামে চারজন সদস্যের নামে অপপ্রচার করা হয়। তাঁরা নাকি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁরা লিখিত জানিয়েছেন বিজেপিতে যোগ দেননি, তৃণমূলেই আছেন। তাই মালদহ জেলা পরিষদ কার, তা জানতে ভোটাভুটি পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই।












Click it and Unblock the Notifications