TMC accuses EC: কমিশনের মদতে ‘এপিক দুর্নীতি’! ভুয়ো ভোটার নিয়ে দিল্লিতেও সুর চড়াল তৃণমূল
TMC accuses EC: ভোটার তালিকায় কারচুপি নিয়ে সোমবার ফের সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) তোপ। পরের বছরই পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)। আর তাই বাংলায় ভোটার তালিকায় কারচুপিতে নির্বাচন কমিশন সরাসরি প্ররোচনা দিয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের।
রাজ্যের শাসকদলের দাবি, ভিনরাজ্যের বাসিন্দাদের নিয়ে এসে একইরকম এপিক নম্বর দেখিয়ে ভোট দেওয়ানোর ফন্দি এঁটেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকালে এনিয়ে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে 'এপিক দুর্নীতি'-র অভিযোগ তোলেন তৃণমূল সাংসদ।

সঙ্গে এও জানান, ২৭ ফেব্রুয়ারি সর্বপ্রথম দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নির্বাচন কমিশনের পর্দাফাঁস করেছেন। এদিন ডেরেককে সমর্থন করেন তৃণমূলের অপর রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও দুর্গাপুর বর্ধমান লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কীর্তি আজাদ। তৃণমূলের অভিযোগের মাঝেই রবিবারই নির্বাচন কমিশন স্পষ্টতই জানায়, দুই রাজ্যের ভোটার কার্ডের এপিক নম্বর এক হলেই ফেক ভোটার প্রমাণিত হয় না।
নির্বাচন কমিশনের সেই দাবি নিয়েও এদিন সমালোচনা করেন ডেরেক। বলেন, "নির্বাচন কমিশন ত্রুটি মেনে নিলেও নিজেদের ভুল স্বীকার করছে না। রাজ্যের ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হবে না। বরং তাদের ভোট দিয়ে যাবেন ভিনরাজ্যের বাসিন্দারা। একই এপিক নম্বর দেখিয়ে তারা ভোট দিয়ে যাবে। ভোটের আগে ইচ্ছে করেই ভিনরাজ্য থেকে লোকের আমদানি হবে। এটা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। "
ডেরেকের দাবি, রবিবার তৃণমূলের সাংবাদিক বৈঠকের ঠিক ঘণ্টা দুয়েক আগেই ওই বিবৃতি জারি করে কমিশন। আর তাই সময়কাল নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। তবে কি শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে কমিশন? নাকি হাটে হাঁড়ি ভেঙে গিয়েছে? সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রশ্ন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদের।
রবিবার নির্বাচন কমিশন আরও জানায়, এপিক নম্বর এক হলেও এক হতে পারে। কিন্তু বিধানসভা কেন্দ্র, ভোট গ্রহণের বুথ অন্যান্য হতে বাধ্য। তাই এপিক নম্বর যাই হোক না কেন, যেকোনও ভোটদাতা তার নিজ বিধানসভা বা লোকসভা এলাকার সংশ্লিষ্ট ভোট গ্রহণ কেন্দ্রেই ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনের আরও দাবি, পূর্বে স্থানীয়ভাবে হাতে হাতে ভোটার কার্ড তৈরি ও বিলি করা হত। তাই কিছু ক্ষেত্রে এপিক নম্বর এক হলেও হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি কমিশনের।
কমিশনের ওই দাবির পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) বলেন, "নির্বাচন কমিশনের বিবৃতি আদতে তৃণমূলের দাবিকেই মান্যতা দিল। এটা প্রমাণ হয়ে গেল যে ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্যের নাম এসে ঢুকেছে।"
বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এটা করা হয়েছে বলে মন্তব্য কুণাল ঘোষের। পাল্টা বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacharya) দাবি, "বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের ভয় কাজ করছে তৃণমূলের অন্দরে। ভয় দেখিয়ে ভোট করানো যাবে না, সেটা তারা বুঝতে পারছে।"












Click it and Unblock the Notifications