কারাগারে নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি আদতে ফসকা গেরো! পগার পার তিন বাংলাদেশি বন্দি
রাতের অন্ধকারে সংশোধনাগারের দেওয়াল টপকে পালিয়ে যায় তারা। রবিবার সকালে সংশোধনাগারের বন্দি গণনার সময়েই নজরে আসে তিনজন বন্দি নেই।
কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বজ্র আঁটুনি যে একেবারেই ফসকা গেরো তা প্রমাণ করেই পগার পার হয়ে গেল তিন বিচারাধীন বন্দি। রাতের অন্ধকারে সংশোধনাগারের দেওয়াল টপকে পালিয়ে যায় তারা। রবিবার সকালে সংশোধনাগারের বন্দি গণনার সময়েই নজরে আসে তিনজন বন্দি নেই। আগেভাগে কিছুই বুঝতে পারেননি নিরাপত্তারক্ষীরা। এর ফলে আলিপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়।

বন্দি পালানোর বিষয়টি জানাজানি হতেই সংশোধনাগারের মধ্যে হুলুস্থুল পড়ে যায়। বন্দিদের সংখ্যা না মেলায় বিপাকে পড়ে যায় জেল কর্তৃপক্ষ। কী করে তারা পালাতে পারে, তার অনুসন্ধানে নেমেই চক্ষু চড়কগাছ কর্তৃপক্ষের। চাদর দিয়ে দড়ি তৈরি করেই তারা বিশাল পাঁচিল টপকে পালিয়ে যায় বলে জানতে পারে। এরপরই আলিপুর থনার পুলিশ তদন্তে নামে।
রবিবার সকালে লালবাজারের ডগ স্কোয়াড আসে সংশোধনাগারে। কোন পথে তারা পালিয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। রাজ্যের সমস্ত থানাকে অ্যালার্ট করা হয়েছে। পলাতক বন্দিদের পুনরায় কব্জা করতে জাল পেতেছে পুলিশ। বিএসএফকেও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। পলাতক বন্দিরা সকলেই বাংলাদেশের বাসিন্দা। ফলে তারা বাংলাদেশ পালাতে পারে। সেই বিষয়েই অ্যালার্ট করা হয়েছে সীমান্তরক্ষীদের।
আলিপুর জেলার চার ও পাঁচ নম্বর গেট অরক্ষিত ছিল বলে অভিযোগ। সেই সুযোগটাই নেয় বন্দিরা। ওই অরক্ষিত গেটের দিক দিয়েই তারা পালিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। আদিগঙ্গার ধার অনেকটাই নিরিবিলি, ওই পথই ব্যবহার করে পালাতে পারে বন্দিরা। আবার আদিগঙ্গা টপকেও তারা পালাতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications