২০২১-এর লক্ষ্যে রণনীতি! কমপক্ষে কত আসন, দুর্গাপুরে চিন্তন বৈঠক শেষে জানালেন দিলীপ ঘোষ
২০২১-এর লক্ষ্যে রণনীতি তৈরি করতে দুর্গাপুরে বৈঠকে বসেছিল বিজেপি। শনিবার ও রবিবার, এই দুদিন ধরে বৈঠক চলে।
২০২১-এর লক্ষ্যে রণনীতি তৈরি করতে দুর্গাপুরে বৈঠকে বসেছিল বিজেপি। শনিবার ও রবিবার, এই দুদিন ধরে বৈঠক চলে। বৈঠক শেষে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, সামনের বিধানসভা ভোটে তারা কমপক্ষে ২০০ টি আসন পাবেন। পাশাপাশি ঠিক হয়েছে, এবার থেকে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে তিনিই কথা বলবেন। আলাদা করে অন্য কেউ মতামত দেবেন না বলে জানা গিয়েছে।

দুর্গাপুরে চিন্তন শিবির
শনিবার ও রবিবার দুর্গাপুরে বসেছিল চিন্তন শিবির। বৈঠকে হাজির ছিলেন বাছাই করা ৪১ জন নেতা। বৈঠকে দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিষ্ণুপুরের সৌমিত্র খাঁন, প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ এবং মালদহের নেত্রী মেহফুজা খাতুনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। রাজ্য থেকে দলের ১৮ জন সাংসদের সবাই এই আমন্ত্রণ পাননি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বৈঠকে হাজির ছিলেন
কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন এবং শিবপ্রকাশ। রাজ্যে এই সময়ে দাঁড়িয়ে সংগঠনের অবস্থা কোথায় কেমন, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপির লক্ষ্য
বিজেপির লক্ষ্য যেভাবে রাজ্যে ২ থেকে লোকসভার আসন বেড়ে ১৮ হয়েছে, সেই অগ্রগতি সামনের বিধানসভা নির্বাচনেও বজায় রাখা।
যদি কোনও কারণে যদি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে আনা হয়, সেই কারণেই আগেভাগে দল প্রস্তুত থাকতে পারে, সেটাও খেয়াল রাখছে বিজেপি। যাতে কোনওভাবেই ২০২১-এ তৃণমূল ফের বাংলায় ক্ষমতা দখল করতে না পারে।

একুশের লক্ষ্যে রূপরেখা
২০২১-এর লক্ষ্যে বিজেপির তরফে যে রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কাটমানি ইস্যু। এই হাতিয়ারকে যাতে কোনওভাবেই হাতছাড়া করা না হয়, তার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তাদের লক্ষ্য কাটমানি বিরোধী আন্দোলন আরও বেশি করে ছড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের গুরুত্ব বোঝাতে প্রচার চালানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমের সামনে একমাত্র দিলীপ ঘোষই
চিন্তন বৈঠকে ঠিক হয়েছে, এবার থেকে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে দিলীপ ঘোষই কথা বলবেন। আলাদা করে অন্য কেউ মতামত দেবেন না বলে জানা গিয়েছে। এদিন দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, সামনের বিধানসভা ভোটে তারা কমপক্ষে ২০০ টি আসন পাবেন।












Click it and Unblock the Notifications