এই ৪ জনের ওপর ভরসা করেই পালিয়ে বেঁচে যাচ্ছেন বিমল গুরুং
পুলিশ সূত্রের খবর, দীপেন মাল, দাওয়া লেপচা, সঞ্জয় থুলুং, প্রকাশ গুরুং এঁদের সাহায্যেই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালাতে পারছেন বিমল গুরুং।
একের পর এক পুলিশি রেড, কিন্তু ক্রমাগত হাতছাড়া বিমল গুরুং। বার বার কীভাবে পুলিশের হাতছাড়া হচ্ছেন তিনি ? কীভাবেই বা পালিয়ে বাঁচতে পারছেন বিমল গুরুং? এ প্রশ্নের উত্তরে প্রথমেই উঠে আসছে ৪ টি নাম। পুলিশ সূত্রের খবর, দীপেন মাল, দাওয়া লেপচা, সঞ্জয় থুলুং, প্রকাশ গুরুং এঁদের সাহায্যেই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালাতে পারছেন বিমল গুরুং। এঁদের মধ্যে কেউ অর্থের যোগান দেন, কেউ বা অস্ত্রের যোগান দিয়ে থাকেন। আর তার ওপর ভরসা করেই পাহাড়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পালাতে পারছেন বিমল গুরুং।

পুলিশের দাবি, এই সঞ্জয়, দীপেন, দাওয়াদের মধ্যে গুরুং এর সবথেকে কাছের লোক দাওয়া লেপচা। সম্পর্কে তিনি গুরুং এর ভগ্নিপতি। শনিবার থেকেই দাওয়ার খোঁজে সিকিম লাগোয়া এলাকায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। দাওয়া ঘনিষ্ঠ সুমন ছেত্রীর বাড়ি থেকে উদ্ধায় হয় প্রচুর বিস্ফোরক। এদিনের পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার করা হয় পাহাড়ে অশান্তির অন্যতম অভিযুক্ত কেশর থাপাকেও। এই কেশর এর বিরুদ্ধে আলগাড়া বিডিও অফিসে আগুন লাগানোর অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, ত্রিশোর্ধ্ব দীপেন মালের নামে অভিযোগ রয়েছে মদন তামাং হত্যা মামলায়। এই দীপেনকেও দাওয়ার মতো জিটিএতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতিয়েছিলেন গুরুং। অন্য়দিকে, সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে একে ৪৭ সহ বিভিন্ন অস্ত্রসস্ত্র অবৈধভাবে মজুত করার অভিযোগ রয়েছে। একটা সময় এই সঞ্জয় নেপালে পালিয়ে গেলেও ,আবারও তাকে দার্জিলিং এর আশেপাশে দেখা গিয়েছে। গুরুং এর অপর শাগরেদ কম বয়সী প্রকাশ। এক সময়ে পাহাড়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা এই প্রকাশের বিরুদ্ধেও রয়েছে দুর্নীতির নানা অভিযোগ।
সূত্রের দাবি, এই ৪ জনই বৃহস্পতিবার পুলিশি হানার সময়ে গুরুং -কে অক্ষত অবস্থায় পালাতে সাহায্য করেন। এর আগে এক বৈঠকে অস্ত্রসস্ত্র, পুলিশি অভিযান হলে কীভাবে পালানো হবে তা নিয়ে বৈঠক করেন। ঘন জঙ্গল দিয়ে কীভাবে গুরুংকে নিয়ে কোন রাস্তা দিয়ে পালানো হবে, সে বিষয়েও ওই বৈঠকে কথা হয়। গুরুং-কে বাঁচাতে এই মোর্চা বাহিনীতে রয়েছে ৪৫ জন প্রশিক্ষিত জিএলপি। এর ২০১২ থেকে ১৩ সালে নাগা জঙ্গিদের কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছে এই জিএলপি-রা। তবে এতশত তথ্য আর অমিতাভ মালিকের মত সাহসী এসআই-য়ের শহীদ হওয়ার ঘটনার পর, এখন প্রশ্ন একটাই কবে ধরা পড়বেন বিমল গুরুং? আর এর উত্তরের অপেক্ষায় রয়েছে গোটা রাজ্য।












Click it and Unblock the Notifications