পঞ্চায়েত ঘিরে শাসকের 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' রক্ষা নেই পুলিশেরও! মাথা ফাটল কনস্টেবলের
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত কোচবিহারের গীতালদহ। সংঘর্ষ থামাতে ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চলে। পরে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত কোচবিহারের গীতালদহ। সংঘর্ষ থামাতে ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চলে। পরে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। গুলিবিদ্ধ এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে কোচবিহারের এনজেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

কোচবিহারে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিলই। পঞ্চায়েত নির্বাচন সামনে চলে আসায় এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও প্রকাশ্যে চলে এসেছে বলেই মত স্থানীয়দের। মূলত তৃণমূল ও যুব তৃণমূলের মধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। দুপক্ষই পঞ্চায়েত নির্বাচনে আলাদা করে প্রার্থী দিয়েছে। ইতিমধ্যেই দিনহাটার গীতালদহে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার গুলিবিদ্ধ এক তৃণমূল কর্মীকে কোচবিহারের এনজেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এলাকায় তৃণমূল ও যুব তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় যায় পুলিশ। এই সময় পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। মেরে এক কনস্টেবলের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। আক্রান্ত হয়েছেন এক এএসআই এবং এক সিভিক ভলান্টিয়ারও। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
তৃণমূলের তরফে অবশ্য গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে চক্রান্তের অভিযোগ করা হয়েছে।
এর আগে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে একাধিকবার বৈঠকে বসেছে কোচবিহার জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বিজেপিকে রুখতে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কোনও ব্যাপার নেই।












Click it and Unblock the Notifications