ঠাকুরনগর, দুর্গাপুরে মোদীর সভার স্থান নিয়ে টানাপোড়েন! তৃণমূল ও প্রশাসনের দিকে অভিযোগ বিজেপির
আদালতের আদেশে রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রা অর্থাৎ গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার গণতন্ত্র বাঁচাও সভারস্থল নিয়ে কার্যত জটিলতা তৈরি হয়েছে।
আদালতের আদেশে রাজ্যে বিজেপির রথযাত্রা অর্থাৎ গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার গণতন্ত্র বাঁচাও সভারস্থল নিয়ে কার্যত জটিলতা তৈরি হয়েছে। আপাতত ঠিক হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২ ফেব্রুযারি ঠাকুরনগর এবং দুর্গাপুরে সভা করবেন। কিন্তু দুই সভার সভাস্থল নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিজেপির অভিযোগের তির অবশ্যই তৃণমূলের দিকে।

ঠাকুরনগর
২ ফেব্রুয়ারি উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুনগরে মন্দির লাগোয়া মাঠে সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু সেখানে ইতিমধ্যেই কীর্তনের জন্য মহকুমা শাসকের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে রেখেছেন মমতাবালা ঠাকুর। জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাবি, প্রতিবছরই ৩০ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি সেখানে কীর্তনের আসর বসে। তাঁর মতে ঠাকুরনগরে অনেক মাঠ রয়েছে। সেখানে সভা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রধান উদ্যোক্তা তথায় মতুয়া মহাসংঘের সঙ্ঘাধিপতি শান্তন ঠাকুর বলেছেন, নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট জায়গাতেই প্রধানমন্ত্রীর সভা হবে। তৃণমূল পরিকল্পনা করেই প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে মাঠের দখল নিতে চাইছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। ওইদিন বড় মা বীণাপানি দেবীর সঙ্গেও সাক্ষাতের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

দুর্গাপুর
অন্যদিকে, দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর রাজীব স্মৃতি মেলার মাঠে মোদীর সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একটি ধক্মীয় উঠসব চলবে বলে জানা গিয়েছে। ফলে সভার স্থান বদল অবশ্যম্ভাবী। সভা হতে পারে নেহরু স্টেডিয়াম, এএসপি স্টেডিয়াম কিংবা ভগত সিং স্টেডিয়ামে।

বিজেপির অভিযোগ
দুর্গাপুরের মোদী সভার স্থান ঠিক করা নিয়ে প্রশাসনের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এসপিজি এবং প্রশাসনের তরফে বেছে নেওয়া হবে মোদীর সভার স্থল।












Click it and Unblock the Notifications