রাজ্যে এবার লম্বা ইনিংস খেলবে শীত, অগ্রহায়ণের শেষ দিনেই কনকনে ঠান্ডা
অগ্রহায়ণের শুরুতে আশা জাগিয়ে শুরু করলেও মাঝে হাওয়া হয়ে গিয়েছিল শীত। কিন্তু অগ্রহায়ণের শেষে এসে আবার দাপট দেখিয়ে শীত জাঁকিয়ে বসেছে রাজজুড়ে।
কলকাতা, ১৬ ডিসেম্বর : এবার লম্বা ইনিংস খেলার সম্ভবনাই মজবুত করছে শীত। অগ্রহায়ণের শুরুতে আশা জাগিয়ে শুরু করলেও মাঝে হাওয়া হয়ে গিয়েছিল শীত। কিন্তু অগ্রহায়ণের শেষে এসে আবার দাপট দেখিয়ে শীত জাঁকিয়ে বসেছে রাজজুড়ে। কার্শিয়াং থেকে কাকদ্বীপ, ঠকঠক করে কাঁপছে। পরিসংখ্যানেই মিলছে সেই প্রমাণ।
অগ্রহায়ণের শেষদিনেই কি না কলকাতা শহরের তাপমাত্র নেমেছে ১২.৭-এ। কৃষ্ণনগর, উলুবেড়িয়া, আসানসোলের তাপমাত্র তো ঘোরাফেরা করছে ১০-এর আশেপাশে। পৌষ আসার আগেই কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু বাংলা। শুধু মহানগর কলকাতার তাপমাত্রা কমেনি। মহানগরের আশেপাশের জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ৯ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

মহানগর ও মহানগরের আশেপাশের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে অন্ত দু'ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গের মতো ঠান্ডা জারি উত্তরবঙ্গেও। মালদহে ১২.৯, জলপাইগুড়িতে ১০.৭ ও দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুধুমাত্র দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। পাহাড়ে ঘন কুয়াশার কারণেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা।
শীতের এই দাপট দেখে আবহবিদদের অভিমত, কালীপুজোর পরই শীতের আমেজ শুরু হয়ে যায়। এবার একটু দেরি করেই এল শীত। তবে শীত বোঝাচ্ছে প্রচলিত কথার সত্যতা। সত্যিই সবুরে মেওয়া ফলে। তাই তো অগ্রহায়ণের শেষে ফুল ফর্ম ব্যট করছে শীত। পরিষ্কার আকাশ। তাই উত্তরে হাওয়াও বাধাহীন। রাজ্যে আরও উত্তরে হাওয়া প্রবেশ করায় শীত ভালোই দাপট দেখাবে পৌষের শুরুতে।












Click it and Unblock the Notifications