হুগলী ও বর্ধমানের চাষিদের এবার বাংলায় তৈরি সস্তার আলু বীজ প্রদান রাজ্য সরকারের
হুগলী ও বর্ধমানের চাষিদের এবার বাংলায় তৈরি সস্তার আলু বীজ প্রদান রাজ্য সরকারের
চলতি মরসুমেই বাংলার পাঞ্জাবের বদলে বাংলায় তৈরি বীজ থেকে উৎপাদিত নতুন আলো উঠতে চলেছে হিমঘর গুলিতে। রাজ্য সরকার এবার বাংলায় তৈরি চন্দ্রমুখী আলুর বীজ দিচ্ছে হুগলী ও বর্ধমানের আলুচাষীদের।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বীজ কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে শিলিগুড়ি ও পশ্চিম মেদিনীপুরের আনন্দপুরে এই আলু বীজ গুলি তৈরি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এতদিন পাঞ্জাবের আলু বীজ গুলি পঞ্চাশ কেজির প্রতি বস্তা পিছু দাম পড়তো প্রায় প্রায় ২৬০০ থেকে ২৮০০ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু বর্তমানে বাংলায় তৈরি সমপরিমাণ আলু বীজ গুলির দাম পড়বে ১০০০ টাকার কাছাকাছি।
মুখ্যমন্ত্রীর কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার এই প্রসঙ্গে বলেন, “কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় ইতিমধ্যে চন্দ্রমুখী আলুর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ চাষীই পাঞ্জাব থেকে আলুর বীজ কিনে থাকেন। তাদেই আমরা তাদের কথা ভেবে বর্তামানে রাজ্যের মধ্যেই নতুন আলু বীজ তৈরির পরিকল্পনা করেছি। ইতিমধ্যেই সিঙ্গুর, ডানকুনি, ধনিয়াখালী, তারকেশ্বর এবং আরামবাগের বিপুল সংখ্যক আলুচাষীরা আমাদের কাছ থেকে চন্দ্রমুখী বীজ কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ”
ইতোমধ্যেই রাজ্য সরকারের থেকে সস্তার এই আলু বীজ কিনেছেন ধনিয়াখালীর মহেশ্বরপুরের আলুচাষী সুকুমার দাস। নতুন এই আলু বীজ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “গত বছর পর্যন্ত আমি পাঞ্জাব থেকে আনা আলু বীজ চাষের জন্য ব্যবহার করেছি। কিন্তু তার গুণমান খুব একটা ভালো ছিল না। ওই বীজ থেকে জ্যোতির আলুর মতো তুলনামূলক ভাবে নিম্ন মানের কিছু আলু উৎপাদন হয়। ফলন কম হওয়ায় ভালো লাভও হয়নি। তাই এই বছর রাজ্য সরকারের থেকে উচ্চ ফলনের আশায় সস্তায় এই চন্দ্রমুখী বীজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”












Click it and Unblock the Notifications