রেলের রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতিকেই দায়ী যাত্রীদের, স্টেশন ভেঙে পড়ায় নিরাপত্তা ফের প্রশ্নে
আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বর্ধমান স্টেশন বিল্ডিংয়ের একাংশ। শনিবার রাত আটটা নাগাদ এই দুর্ঘটটনার পিছনে কী কারণ তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বর্ধমান স্টেশন বিল্ডিংয়ের একাংশ। শনিবার রাত আটটা নাগাদ এই দুর্ঘটটনার পিছনে কী কারণ তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রবেশপথের একাংশে এই দুর্ঘটনার জেরে বড়সড় ঘটনা ঘটতে পারত। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন যাত্রীরা। এই দুর্যোগের নেপথ্যো কোনও গাফিলতি আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বর্ধমান স্টেশনের প্রবেশ পথের ওই অংশে সংস্কারের কাজ চলছিল। টাইলস বসানোর কাজ চলছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে সেই কাজের জন্ই যে ভেঙে পড়েছে বিল্ডিংয়ের একাংশ, তা নয়। যাত্রী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলের গাফিলতিতেই এতবড় ঘটনা ঘটে গেল। বড়সড় বিপদ হতে পারত। বহু প্রাণ চেলে যেতে পারত।
রেলের কোনও রক্ষণাবেক্ষণ ছিল না। কোনও দেখভাল করা হয়নি। যার জেরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ল বিল্ডিংয়ের একটা বড় অংশ। রেল জানাচ্ছে আহতের সংখ্যা দু-জন। বেসরকারি মতে আহতের সংখ্যা পাঁচ। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক একজন।

গত নভেম্বর মাসেই বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। তার মধ্যে স্টেশন বিল্ডিংয়ের একাংশ ভেঙে পড়ার ঘটনা আরও একবার রেলের রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। পূর্ব রেলের বর্ধমান ডিভিশনের ডিআরএম ইশা খান জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের তলায় কেউ আটকে নেই। এই ঘটনার জেরে বর্ধমান শাখায় ট্রেন চলাচলের ওপরে কোনও প্রভাব পড়েনি।
পূর্ব রেলের অন্যতম ব্যস্ত জংশন স্টেশন বর্ধমান। সর্বক্ষণ এখানে যাত্রীদের ভিড় থাকে। তার মধ্যে রাত ৮টার মতো ব্যস্ত সময়ে স্টেশনের বিল্ডিং ভেঙে পড়ার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই যাত্ৰীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, আরপিএফ এবং রেলের পদস্থ কর্তারা। বর্তমানে গোটা এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। আহত ১ ব্যক্তিকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications