আটকে থাকা বিলে সই করে দিলেন রাজ্যপাল, এবার বেতন বাড়বে মন্ত্রী - বিধায়কদের?
বিলে সই করলেন রাজ্যপাল। মন্ত্রী বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির বিল রাজভবন থেকে ছেড়ে দেওয়া হল। বিধানসভায় এই বিল নিয়ে আলোচনায় আর কোনও সমস্যা থাকবে না। রাজ্যপাল পাঠানো বিলে সই করছেন না। এই অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠছিল রাজ্যের শাসকদলের পক্ষ থেকে।
মঙ্গলবার দুপুরের পর জানা যায় রাজ্যপালের সি ভি আনন্দ বোস বিলে সই করে দিয়েছেন। অর্থাৎ মন্ত্রী বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আরও একধাপ এগিয়ে গেল। সোমবার বিশেষ অধিবেশন বসেছিল বিধানসভায়। সেখানে এই বিল উপস্থাপন করা হয়। তখনও রাজ্যপাল বিলে সই করেননি বলে জানা গিয়েছিল।

রাজভবনের সঙ্গে নবান্নের খুব একটা সরল সম্পর্ক নেই। এমনই মত ওয়াকিবহাল মহলের। রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্যপাল মাঝেমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে রাজ্যপাল নিজেও সরব। রাজ্যের দুর্নীতি ইস্যুতে রীতিমতো খোলাখুলি মতামত জানান রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাই নিয়ে যথেষ্ট চাপানউতোড় দেখা গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি সিদ্ধান্ত শেষ বিধানসভা অধিবেশনে গৃহীত হয়। বিল পাশ করার পর রাজভবনে গিয়েছিল রাজ্যপালের সইয়ের জন্য। কিন্তু রাজ্যপাল সেই বিলে সই করছেন না বলে অভিযোগ ওঠে। এই প্রেক্ষিতে ফের রাজভবনের সঙ্গে সংঘাত তৈরি হয় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের।
গতকাল সোমবার একদিনের জন্য অধিবেশন ডাকা হয়েছিল বিধানসভায়। কিন্তু এই বিল রাজভবন থেকে সই করে বিধানসভায় যায়নি। তাই কেবল বিল উপস্থাপন করা হয়েছিল। প্রবল হট্টগোলের মধ্যে বিধানসভার অধিবেশন মুলতবি হয়ে যায়। গতকাল বিকেলে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ রাজভবনে গিয়েছিলেন। রাজ্যপালের সঙ্গে তার বেশ কিছু সময় কথাবার্তা হয়।
মঙ্গলবার জানা যায়, বিলে সই করে দিয়েছেন রাজ্যপাল। ডিসেম্বর মাসে অধিবেশন বসলে এই বিল নিয়ে আলোচনা হবে। অর্থাৎ রাজভবনের থেকে আর কোনও বাধাই রইল না কিন্তু হঠাৎ করে কেন এত দ্রুততার সঙ্গে সই করে দেওয়া হল? কুণাল ঘোষ কি কোনও সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করলেন?
পুজোর মুখে নবান্নের সঙ্গে রাজভবন কি দূরত্ব কমাতে চাইছে? তৃণমূলের প্রতি রাজ্যপাল কি কিছুটা নরম মনোভাব রাখতে শুরু করলেন? এই প্রশ্ন উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications