কমেছে কুয়াশার দাপট, উধাও কনকনে শীতের আমেজ, সরস্বতী পুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া? জানাল হাওয়া অফিস
আর মাত্র কিছু ঘন্টার অপেক্ষা। তারপরেই সরস্বতী পুজো। রাজ্যজুড়ে এখন চারিদিকে সাজো সাজো রব। স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, সমস্ত জায়গাতেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। পুজোর দিন ভোরে স্নান সেরে উপোস করে অঞ্জলি দেওয়ার কথা ভেবেই অনেকের মনে ঘোরাফেরা করছে একটাই প্রশ্ন, পুজোর সকালে কী জাঁকিয়ে শীত পড়বে?

এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদদের মতে, সরস্বতী পুজোর সকালে কনকনে শীতের কোনও আশা নেই। তবে ভোর এবং সকালের দিকে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই উষ্ণতাও বাড়বে। তখন আর শীতের পোশাকের প্রয়োজন পর্বে না। রাত নামলে আবার কিছুটা ঠান্ডার অনুভূতি পাওয়া যাবে, তবে জাঁকিয়ে শীতের আমেজ থাকবে না।
কনকনে ঠান্ডার আবহাওয়া থেকে হঠাৎ করে শীত কমে যাওয়ার কারণও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাদের মতে, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে পরপর দুটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় হয়েছে। আর এই ঝঞ্ঝার প্রভাবেই রাজ্যে তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।
এর প্রভাব সবথেকে বেশি পড়বে দক্ষিণবঙ্গে। ভোর এবং রাতে হালকা শীত থাকলেও, সকাল থেকে দুপুরে গরম অনুভূত হবে। কলকাতাতেও একই ছবি দেখতে পাওয়া যাবে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে। জলপাইগুড়ি থেকে শুরু করে শিলিগুড়ি, মালদা এবং আলিপুরদুয়ার এলাকায় তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়তে পারে। তবে পাহাড়ি এলাকায় এখনও ঠান্ডার মরসুম বজায় থাকবে। তাই দার্জিলিংয়ে যাঁরাই যাচ্ছেন, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই।
এদিকে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা রাজ্যজুড়ে কুয়াশার দাপট বাড়তে পারে। উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বর্ধমান, বীরভূম-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় সকালের দিকে কুয়াশা ঘন থাকতে পারে। উত্তরবঙ্গেও একইরকম ভাবে কুয়াশার প্রভাব থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications