বিধায়কের বাড়িতে পাওয়া টাকার অঙ্ক বাড়ছে, কী বলছেন তৃণমূল নেতৃত্ব?
আরও একবার লক্ষ লক্ষ টাকার হদিশ পাওয়া গেল। সেই টাকা বৈধ নাকি অবৈধ? তাই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এই খবর লেখা পর্যন্ত টাকা গোনার কাজ চলছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মোট ৩৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু কোথা থেকে উদ্ধার হল এই টাকা?
মুর্শিদাবাদের ডোমকলের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ওই বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলছে। সেখানেই দুটি জায়গায় এই টাকা উদ্ধার হয়েছে। আরও টাকা রয়েছে বলে খবর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই বিষয়ে এখনও কোনো মুখ খোলেননি। তবে অসমর্থিত সূত্রে এই খবর পাওয়া যাচ্ছে।

শীতকালীন বিধানসভা অধিবেশন চলছে। সেই কারণে বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম কলকাতায় রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সাত সকালে সিবিআই তদন্তকারীরা হাজির হয়েছিলেন বিধায়কের ডোমকলের বাড়িতে। শুরু হয়ে যায় খানাতল্লাশি। বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে। এমন কথা শুরুতে জানা যায়। পরে জানা যায়, লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কিন্তু কত টাকা পাওয়া গিয়েছে? তাই নিয়ে শুরুতে কোনও বার্তা পাওয়া যায়নি।
বিধায়কের বাড়িতে টাকা গোনার মেশিন নিয়ে যাওয়া হয়। বাইরে কড়া পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ভিতরে সিবিআই আধিকারিকরা টাকা গুনতে শুরু করেন। শৌচালয়ের মধ্যে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা প্রথমে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। যদিও সিবিআই এই তথ্য জানায়নি। শৌচালয় থেকে ৭ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্র মারফত খবর।
বিধায়কের ঘর থেকেও টাকা পাওয়া গিয়েছে। সেই টাকার পরিমাণ আরও অনেক গুণ বেশি। ২৮ লক্ষ টাকা ঘর থেকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। অসমর্থিত সূত্রে খবর, এখন অবধি ৩৫ লক্ষ টাকা পাওয়া গিয়েছে বিধায়কের বাড়ি থেকে। আরও একটি ব্যাগ রয়েছে টাকার। সেই টাকা গোনার কাজ চলছে। মোট অঙ্ক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? তাই নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।
কোথা থেকে এল এই টাকা? এত পরিমাণে টাকা বাড়িতে কখনও মজুত রাখা যায় না। কিন্তু বিধায়কের বাড়িতে কেন এত নগদ টাকা রয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে সম্প্রতি সম্পত্তি বিক্রি হয়েছে। সেই টাকাই বাড়িতে রাখা ছিল। তদন্তকারীরা সেই টাকাই গুনছেন।
তৃণমূলের তরফ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়েছিল। সাংবাদিকরা এই। বিষয়ে প্রশ্ন করেন দলীয় মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, টাকা পাওয়ার বিষয়ে সিবিআই এখনও কোনও তথ্য দেয়নি। কোথা থেকে সেই টাকা এল? সেই টাকা বৈধ না কী অবৈধ? সেইসব তথ্য আগে সামনে আসবে। যদি অবৈধ টাকা হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিরো টলারেন্সের কথা আগেই জানিয়েছিলেন।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছিল। তারপরেই একে একে টাকার পাহাড়ের হদিশ পাওয়া যায়। বেশ কয়েক মাস পরে ফের উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ টাকা। এখন সেই টাকার উৎস কী? তাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications