Kalighater Kaku: নিয়োগ মামলায় অভিযুক্ত ‘কালীঘাটের কাকু’ অসুস্থ! সুপ্রিম সময়সীমার মধ্যে হল না চার্জ গঠন
Kalighater Kaku: প্রেসিডেন্সি জেল থেকে ব্যাঙ্কশালের বিশেষ আদালতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন কালীঘাটের কাকু। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) অন্যতম অভিযুক্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু। তিনিই গরহাজির থাকায় সোমবারও ফের পিছিয়ে গেল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইডির (Enforcement Directorate) মামলার চার্জ গঠন প্রক্রিয়া।
সূত্রের খবর, সোমবার সকালেই অসুস্থ হয়ে পড়েন কালীঘাটের কাকু। হৃদযন্ত্রে সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তা থেকেই অসুস্থ বোধ করতে থাকেন বলে অনুমান। শরীরে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামেরও ঘাটতি রয়েছে বলে জানা যায়। যার জেরেই আদালতে হাজিরার আগেই সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেন কালীঘাটের কাকু। প্রেসিডেন্সি জেল থেকে সোজা তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।

পিজির জরুরি বিভাগে রাখা হয় কালীঘাটের কাকুকে। এমআরআই করা হয়। এদিকে বিশেষ আদালতে সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী জানান, সকালেই তাঁর মক্কেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তাই আদালতে গরহাজির তিনি। এসএসকেএমের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি ছিলেন তিনি। সিটি স্ক্যানও করা হয়েছে তাঁর। কিন্তু তাতে কিছুই ধরা পড়েনি বলে জানা গিয়েছে।
আদালতে কালীঘাটের কাকুর আইনজীবী জানান, দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হবে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। সেই আবেদন আদালত মঞ্জুর করলে আশঙ্কা প্রকাশ করে ইডি। সুজয়কৃষ্ণ পালিয়ে যেতে পারেন এমন আশঙ্কা করে কড়া পুলিশি বন্দোবস্তর পক্ষে সওয়াল করে ইডি। কলকাতা পুলিশকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে নির্দেশ দেন বিচারক।
এসএসকেএমে সিটি স্ক্যান রিপোর্টে কিছু না মেলার পরেও আচ্ছন্নভাব কাটেনি সুজয়কৃষ্ণের। এদিকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে অর্থাৎ শীতের ছুটির মধ্যে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির মামলায় নিম্ন আদালতে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। তা না হওয়ায় বিচারক উষ্মা প্রকাশ করেন। "চেষ্টার ত্রুটি নেই। কিন্তু সবকিছু আমার হাতে নেই," এমনই মন্তব্য করেন বিচারক।
সোমবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডলরা উপস্থিত ছিলেন আদালতে। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় আসতে পারলেন না কালীঘাটের কাকু। এদিন সুজয়কৃষ্ণকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করতে গিয়েও তাই বিচারক বলেন, "এটা কি মেডিক্যাল নেগলিজেন্সি,না জুডিশিয়াল নেগলিজেন্সি?" ২ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেদিনই কালীঘাটের কাকুর শারীরিক অবস্থার রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।












Click it and Unblock the Notifications