এবার নিশানায় দল পরিবর্তনকারীরা, নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিস্ফোরক তথাগত রায়
এবার নিশানায় দল পরিবর্তনকারীরা, নেতৃত্বকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বিস্ফোরক তথাগত রায়
মধ্যে কয়েকদিন সেরকম কিছু বলতে শোনা যায়নি বিজেপি (bjp) নেতা তথাগত রায়কে (tathagata roy)। এবার নেতাদের দল পরিবর্তন নিয়ে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সরব হলেন বর্ষীয়ান এই নেতা। কার্যত তাঁর প্রতিক্রিয়া যদি দলেরই মাটির কাছাকাঠি নেতাদের টিকিট দেওয়া হত, তাহলেও এই হার সম্মানজনক হত।

বিজেপিতে আসা একের পর এক নেতানেত্রী ফিরতে চাইছেন তৃণমূলে
ভোটের আগে বানের মতো তৃণমূল থেকে নেতানেত্রীরা যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। কার্যত কোন বাচবিচার না করেই তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল। কেই নির্বাচনে টিকিট পেয়েছিলেন। আবার কেউ পাননি। আর নির্বাচনে বিজেপি সাফল্য অধরা হতেই তাঁরা ফিরতে চাইছেন তৃণমূলে। ইতিমধ্যে তৃণমূলে ফেরার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সোনালী গুহ, অমল আচার্য, সরলা মুর্মুর মতো সামনের সারির নেতানেত্রীরা। অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কোচবিহারের ভূষণ সিং এবং দীপেন্দু বিশ্বাসের মতো নেতারা বিজেপি ত্যাগের কথা জানিয়েছেন। তাঁরা ভবিষ্যতে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তৃণমূলের মুখপাত্রা কুণলা ঘোষ দাবি করেছেন, এই তালিকায় নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক যেমন রয়েছেন, তেমন একাধিক সাংসদও রয়েছেন।

নেতৃত্বকে নিশানা তথাগত রায়ের
টুইট করে এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন, তথাগত রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, যা বলেছিলাম ঠিক তাই। কাছা খুলে যাদের বিজেপিতে স্বাগত করা হয়েছিল, যাঁদের খাতিরে বিজেপির বিশ-ত্রিশ বছরের পুরোনো কর্মীদের চরম উপেক্ষা করা হয়েছিল তারা সবাই এক এক করে তৃণমূলে ফিরে যাচ্ছে।
অপর একটি টুইটে তিনি বলেছেন, মৌলিক প্রশ্ন, যার উত্তর তিনি জানেন না। তিনি শুধু জানেন তাঁর যখন পূর্ববঙ্গীয় বাঙালি হিন্দু ঘরে জন্ম তখন চেষ্টা করে যেতে হবে, না করে উপায় নেই। নাড়া দিয়ে যেতে হবে, যতক্ষণ না জাতির ভুল ভাঙে।

সমর্থন অন্যদেরও
একটি টুইটকে তথাগত রায় রিটুইট করেছেন। যেখানে লেখা হয়েছে, আপনি (তথাগত রায়) যেটা বহুদিন ধরে নেতৃত্বকে বোঝাবার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছেন। দল আপনাদের মতো ব্যাক্তিদেরকে সরিয়ে পার্টি গার্লস,আর tmছিঃ-র চোরগুলোকে টিকিট দিল। দল হাতেনাতে ফলও পেল। এর থেকে দল যদি মাটির কাছাকাছি নতুন নেতা তৈরি করে তাদের টিকিট দিত, তবে এই হার সম্মান জনক হতো।

দিলীপ ঘোষকেও নিশানা
সোনালী গুহ-র তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রসঙ্গে জিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, অন্য দল ছেড়ে যাঁরা বিজেপি এসে কাজ করতে চেয়েছেন, তাঁদের সম্মানের সঙ্গে জায়গায় করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেকেই অনেক উদ্দেশ্য নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। এই সংক্রান্ক একটি টুইটকেও রিটুইট করেছেন তথাগত রায়। সেখানে বলা হয়েছে, সম্মানের সঙ্গে তাঁরা বাঁশ দিয়ে গিয়েছে। রাজ্য সভাপতি পদে একজন শিক্ষিত এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদের প্রয়োজন। ছাগলকে দিয়ে জমি চাষ করানো সম্ভব নয়।

অভিনেতা-অভিনেত্রীদের টিকিট দেওয়া নিয়ে তুলেছিলেন প্রশ্ন
ভোটের ফল বেরনোর পরপরই তথাগত রায় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। প্রসঙ্গত বিজেপি যেসব অভিনেতা অভিনেত্রীদের টিকিট দিয়েছিল, তাঁদের মধ্যএ একমাত্র হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে বাদ দিলে, পায়েল সরকার, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পার্নো মিত্র-সহ সবাই পরাজিত হয়েছিলেন। যা নিয়ে টুইটে তোপ দেগেছিলেন তথাগত রায়। টুইটারে তিনি লিখেছিলেন পায়েল শ্রাবন্তী পার্নো ইত্যাদি 'নগরীর নটীরা' নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন (এবং হেরে ভূত হয়েছেন) তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে ? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কী ? পরে একটি সংশোধন করে তিনি অবশ্য বলেছেন পার্নো মিত্র নয়, তনুশ্রী চক্রবর্তী মদন মিত্রের সঙ্গে সেলফি তুলেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications