নমাজ পড়তে পড়তে অভ্যাস খারাপ মমতার! নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার উপায় বাতলে দিলেন দিলীপ
রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নমাজ পড়া নিয়ে ফের কটাক্ষ করলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নিউটানের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে এদিন তিনি বলেন, যেভাবে তিনি ফুল ছুঁডে় পুজো করেন, তাতে অনেকেই খু
রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর নমাজ পড়া নিয়ে ফের কটাক্ষ করলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। নিউটানের ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে গিয়ে এদিন তিনি বলেন, যেভাবে তিনি ফুল ছুঁডে় পুজো করেন, তাতে অনেকেই খুশি নন। পাশাপাশি তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নোবেল শান্তি পাওয়ার উপায়ও বাতলে দিয়েছেন।

মমতাকে কটাক্ষ
দিলীপ ঘোষ এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কটাক্ষ করে বলেন, নমাজ পড়তে পড়তে অভ্যাস খারাপ হয়ে গিয়েছে। পুজো দিতে ভুলে গিয়েছেন। যে ভাবে ফুল ছুঁড়়ে পুজো দিচ্ছেন, তাতে লোক খুশি হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তৃণমূল সার্কাস পার্টি
তৃণমূলের নির্দলরা বেশ কিছু আসন দখল করেছে। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে তাঁদের দলে নেওয়া হবে না। কিন্তু মদন মিত্র ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। যা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এরপরেই দিলীপ ঘোষ বলেন, ওটা তো পার্টি নয়, সার্কাস পার্টি। তিনি বলেন, ভোটটা, সাধারণ মানুষ দেয়নি। পুলিশ আর তৃণমূলে মিলে করিয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, তৃণমূলের যাঁরা নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, তাঁরা দলের পুরনো। ফলে টাকা পয়সা, দলের কর্মীরা তাঁদের হাতেই রয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।

হিরণকে ডাকা হয়েছে কিনা, জানেন না
এদিন জাতীয় গ্রন্থাগারের হলে, রাজ্যে বিজেপির যেসব নেতা পুর নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন, তাঁদেরকে ডাকা হয়েছে। এমনটাই খবর প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। তবে খড়গপুরে জয়ী বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি সেখানে যাচ্ছেন না। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁকে (হিরণ) ডাকা হয়েছে কিনা তিনি জানেন না। দিলীপ ঘোষ বলে, এটা বিজেপির পদাধিকারীদের বৈঠক।

ইউক্রেন থেকে ছাত্রদের ফেরত আসা নিয়ে তৃণমূলকে জবাব
তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, খবর থাকা সত্ত্বেও ইউক্রেন থেকে ছাত্রছাত্রীদের আগে থেকে উদ্ধার করা হয়নি। এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করে হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, যাঁরা কিছু করতে পারে না, তাঁরা লোকের সমালোচনা করেন। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, লকডাউন হলে, তৃণমূল সরকার বাংলার ছেলে মেয়েদের আনার চেষ্টা করেনি। সব রাজ্য ট্রেন চালিয়ে দিলেও, তৃণমূল সরকার ট্রেনের ভাড়া দেয়নি। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে থেকে লোক আনতে পারেননি, এবার গেশের বাইরে যেখানে যুদ্ধ হচ্ছে, সেখান থেকে লোক আনার সময় সমালোচনা করছেন। তৃণমূলকে আহাম্মকের দল বলে কটাক্ষ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, মালদহের লোক গিয়ে হরিয়ানা, গুজরাতে মারা যাচ্ছে। তাঁদের ফিরিয়ে আনতে পারছেন না, আর যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা নিয়ে মন্তব্য করছেন। বিজেপি নেতা বলেন, তৃণমূল চাইছে কয়েকজন মারা যাক, তাহলে এখানে রাস্তায় নামবেন। তিনি বলেন, কারও পৌষমাস, কারও সর্বনাশ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো যেতে পারেন
ইউক্রেন থেকে ছাত্রদের ফেরানো নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেছেন। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়ে তো পুতিনকে, জেলেনস্কিকে বোঝাতে পারেন। তাহলে শান্তির নোবেলটা পেতে পারেন। কিন্তু উনাকে কে পোছে। এখানেই কেউ পোছে না। হাতে পায়ে ধরে উত্তর প্রদেশে প্রচার করতে গিয়েছেন। উত্তর প্রদেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার সম্পর্কে দিলীপ ঘোষ বলেন, যোগীজি সেখানে এত কাজ করেছেন যে তাঁর সমালোচনার জায়গা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে একজন সন্যাসীকে( যোগী আদিত্যনাথ) আক্রমণ করছেন, তা দেশের পরম্পরার বিরুদ্ধে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications