Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মমতার সাহস থাকলে...! বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন শুভেন্দু, শোভনকেও কটাক্ষ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর বিরুদ্ধে ফের প্রার্থী হওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল সূর্য সেন স্ট্রিটে কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।

সেখানেই শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া চাওয়া হয়েছিল শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বা ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের মন্তব্য প্রসঙ্গে।

শুভেন্দু বলেন, আমি কেন যাব শ্রীরামপুরে? ওঁর মালিক কেন গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে? কল্যাণের মতো কর্মচারীর সঙ্গে আমাকে কেন লড়তে হবে? ওঁর মালিককে হারিয়েছি। কল্যাণকে বলে দেবেন, মমতার সাহস থাকলে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। একুশে হারিয়েছি, আবারও হারাব।

শোভন চট্টোপাধ্যায়কে এনকেডিএ চেয়ারম্যান পদে বসানোকে রাজনৈতিক মহল তৃণমূলে প্রত্যাবর্তনের ধাপ হিসেবে দেখছে। শুভেন্দু বলেন, ওখানে তো সব ল্যাম্পপোস্ট। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দ আর আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুঃখের দিন। ট্রাপিজের খেলা, ৩-৪ মাস পদে থাকবেন, তারপর ভালো লোক বসবেন।

শোভনকে নিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, উনি তো তৃণমূলে ঢুকেই আছেন। কোথায় বাইরে? একুশ থেকে ঢুকে আছেন। বিধানসভা ভোটে ভূমিকা অন্যরকম ছিল, কার হয়ে উনি প্রচার করেছেন, কোথায় গিয়েছেন? ২০২৪ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রাথমিক সদস্য হওয়া ৫০ লক্ষের মধ্যে তো ওঁর নাম, গন্ধ নেই। সব মিডিয়ার প্লান্টেড। উনি ভাইফোঁটা নেন প্রতি বছর। তবে এ সবে লাভ নেই। মানুষ প্রস্তুত জঙ্গলরাজ খতম করতে।

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে গরু পাচারের টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, সাড়ে ৪ বছর ওঁদের সরকার। ব্যবস্থা নিতে পারল না কেন? আমার এত অভাব হয়নি। উনি উপনির্বাচনে মন্ত্রী হয়েও হেরেছেন, কার পয়সায় সেই নির্বাচন করেছেন। ওঁর কথার উত্তর দিতে হবে। উনি সকাল, দুপুর, সন্ধ্যায় একেকটা পার্টি করেন। ভরতপুরে দাঁড়ালে টারজানরা ওঁকে হারাবেন। রেজিনগরে রবির লোকেরা হারাবেন। আমাকে কিছু করতে হবে না।

ভবানীপুর বহিরাগতদের এনে ভরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে মমতার সাম্প্রতিক মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু বলেন, কলকাতা ভারতের রাজধানী ছিল। সব রাজ্যের লোক আসতেন। গঙ্গার দুই ধার দিয়ে চটকল-সহ নানা শিল্পে ভরে ছিল। ডা. বিধানচন্দ্র রায় চিত্তরঞ্জন, দুর্গাপুরে শিল্পের বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। বাংলায় কাজ করতে লোক আসতেন অবিভক্ত বিহার, ওডিশা, ইউপি থেকে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৬৮৮৮টি কারখানা বন্ধ করেছেন, টাটাকে তাড়িয়েছেন। শিখ, মারোয়াডি, গুজরাতি, বিহারী, ওডিয়া, জৈন, সিন্ধ্রিরা বহিরাগত হলে মমতা পাকিস্তানের সাপোর্টার।

খড়গপুরে বিএলওদের তৃণমূলের সভায় উপস্থিতির ভিডিও ফাঁস করেছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক কাজ সকলকেই করতে হবে। আর যাঁরা তৃণমূলের সভায় ছিলেন তাঁদের জেল হবে। মনে রাখবেন, বিহারে ৫২ জন বিএলও এখনও জেল খাটছেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+