সামনে বিরোধিতা, পিছনে সখ্যতা! কীভাবে বিজেপির সঙ্গে মমতার সম্পর্ক, ফাঁস করলেন শুভেন্দু

সামনে বিরোধিতা, পিছনে সখ্যতা! কীভাবে বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক, ফাঁস করলেন শুভেন্দু

শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari) বিজেপিতে যোগ দিতেই তাঁকে শুনতে হচ্ছে বেইমান, বিশ্বাসঘাতক। যার জবাবও দিচ্ছেন তিনি। এদিন তিনি সবং-এর সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) বিজেপির (bjp) সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কথা সবার সামনে তুলে ধরলেন।

শুভেন্দু বেইমান, বিশ্বাসঘাতক

শুভেন্দু বেইমান, বিশ্বাসঘাতক

১৯ ডিসেম্বর মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে ২০ বছরের সম্পর্ক ত্যাগ করেছিলেন তিনি। তবে তাঁকে শুনতে হচ্ছে, ২০০৬ সাল থেকে তাঁর বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী থাকার পরেও ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়া নিয়ে নানা কথা। যে দলে থেকে সরকারি সব সুবিধা ভোগ করেছেন, সেই দল ছাড়ার সমালোচনায় ঘাসফুল শিবির। তৃণমূলের ছোট থেকে বড় সবাই, শুভেন্দু অধিকারীকে বেইমান, বিশ্বাসঘাতক বলে আক্রমণ করছেন।

 ১৯৯৮ থেকে সম্পর্ক

১৯৯৮ থেকে সম্পর্ক

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তৃণমূল গঠনের পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে সঙ্গে নিয়েই পরপর দুটি নির্বাচনে লড়াই করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবার নয়তো নেভার স্লোগান দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ছেড়ে জোট করেন কংগ্রেসের সঙ্গে। আর নির্বাচনে সুবিধা করতে না পেরে ফের তিনি যোগ দেন কেন্দ্রের অটলবিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে থাকা বিজেপি সরকারে। সেখানে তিনি কয়লা মন্ত্রীও ছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই সময়েই হয়েছিল গুজরাতের দাঙ্গা। কিন্তু সিপিএম এবং কংগ্রেসের অভিযোগ, সেই সময় দাঙ্গা নিয়ে কোনও কথা বলতে শোনা যায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি মন্ত্রিসভাও ত্যাগ করেননি।

২০০৬ ও ২০০৭ সালেই বিজেপি পাশে

২০০৬ ও ২০০৭ সালেই বিজেপি পাশে

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০০৬ সালে ধর্মতলায় অনশন মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনশন ভাঙাতে এসেছিলেন রাজনাথ সিং। এরপর ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলি চালনার পরে সেখানে গিয়েছিলেন লালকৃষ্ণ আডবাণী, সুষমা স্বরাজরা।

সম্পর্ক ছিল ২০১৩ সালেও

সম্পর্ক ছিল ২০১৩ সালেও

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, বিজেপির সঙ্গে জোট ছেড়ে ২০০৯ সালে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেন। এরপর ২০১১ সালেও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়াই। বিজেপির বিরুদ্ধে নানা কথা। কিন্তু তার মধ্যে ২০১৩ সালে ফের বিজেপির সাহায্য নেন তিনি। হাওড়া লোকসভার উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে সরাসরি রাজনাথ সিং-এর বাড়িতেও গিয়েছিলেন তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপির বদান্যতায় তৃণমূল প্রার্থী ২৩ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলার গর্বের তালিকায় কারা

বাংলার গর্বের তালিকায় কারা

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রচার করা হয়েছিল 'বাংলা গর্ব মমতা' বলে। যা নিয়ে ঘোরতর আপত্তি ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন তিনি বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার গর্বের তালিকায় আসবেন বিদ্যাসাগর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+