মমতার জন্যেই বাংলায় নারীশক্তি নিরাপদ নয়, এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না, হুঙ্কার শুভেন্দুর
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যতদিন আছে ততদিন বাংলায় মা, বোন, দিদি, স্ত্রী, কন্যা- কেউ নিরাপদ নন। মমতার পদত্যাগ যথেষ্ট নয়, এই সরকারকে ঝেঁটিয়ে উৎখাত করতে হবে। আজ পাঁশকুড়ায় এই মন্তব্য করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
পরে বারাসাতেও তিনি দাবি করেন, পার্ক স্ট্রিট, কামদুনি থেকে শুরু করে আর জি কর, পাঁশকুড়ার হাসপাতালে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে মমতার অনুপ্রেরণায়। মমতার মনোভাবই দুষ্কৃতীদের বেপরোয়া করে তুলছে বলে দাবি শুভেন্দুর।

পাঁশকুড়ার পীতপুরে সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীকে ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার হয়েছে জাহির আব্বাস খান। সে তৃণমূলের বড় নেতা বলে দাবি করে শুভেন্দু বলেন, মমতার জন্যেই এই জাহিরদের বাড়বাড়ন্ত। হাসপাতালে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির জন্য আলাদা ঘর ছিল জাহিরের। খান আটেক অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে জাহিরের। তার দাদার ডায়াগনস্টিক সেন্টার আছে, তার বাইরে কারও ব্যবসা করার অধিকার নেই। এ সব চলতে দেব না।
আজ পাঁশকুড়ার মহিলারা শুভেন্দুর নেতৃত্বে ঝাঁটা নিয়ে মিছিল করেন। শুভেন্দু বলেন, পীতপুরের হাসপাতালের কাছে এই বড় মিছিল নিয়ে আমরা গেলাম না। এরপর কয়েকজন বিধায়ককে নিয়ে আসব। জাহির গ্রেফতার হলেও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে সেখানে। আমরা গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মী, সেবিকা, চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলব। যারা মহিলাদের উপর নিগ্রহ, অত্যাচার চালায়, আপত্তিকর কথা বলে মহিলাদের উদ্দেশে, তাদের মমতা পুরস্কৃত করেন বলেও খোঁচা দেন শুভেন্দু।
এরপর বারাসাতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শুভেন্দু বলেন, কাকদ্বীপে প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে সকালে জামাই আদরে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে থানায় নিয়ে যাওয়া হলো। বিকেলের মধ্যেই জামিন পেয়ে বাড়িতে। মমতার রাজত্বে এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই প্রিন্সিপালরা আরও মার খাবেন। রাজারহাটে ছাত্রীদের গায়ে হাত দেওয়া পুলিশ আধিকারিকও বহাল তবিয়তেই রয়েছেন।
রাজ্যে এসআইআর চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। শুভেন্দু বলেন, আগে আইপ্যাক-সহ অনেকে যা করেছে এবার তা হতে দেব না। তৃণমূলের কাউকে বিএলও হিসেবে রাখা যাবে না। আমরা কমিশনে ১০ হাজার জনের তালিকা দিয়েছি। আরও দেব। এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। তৃণমূল-যোগ থাকা বিএলওদের সরাতে বাধ্য হবেন বিডিও থেকে জেলাশাসকরা।












Click it and Unblock the Notifications