মমতার কল্যাণে কলকাতা হবে ইসলামাবাদ! খোঁচা শুভেন্দুর, বাংলাদেশের হিন্দুদের উদ্দেশে দিলেন বড় বার্তা
Suvendu On Bangladesh: মৌলবাদী শক্তির কথাই বেরোচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ থেকে। আজ বিধানসভার সামনে দাঁড়িয়ে এ কথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে ফেক ভিডিও ছড়াচ্ছে বলে মমতা যে দাবি করেছেন, তাকেও খণ্ডন করে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন শুভেন্দু।

শুভেন্দু বলেন, মৌলবাদের সমর্থক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কল্যাণে ১ কোটি রোহিঙ্গা মুসলিম ভারতে ঢুকেছে। কলকাতা ইসলামাবাদ হতে আর বেশি বাকি নেই। ৭২টি জায়গায় বিএসএফ কয়েকশো কিলোমিটার জমিতে বেড়া দিতে পারছে না মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই।
শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশের হুজুর, মৌলানাদের একই ভাষায় কথা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি একটা ভিডিও ফেক প্রমাণ করে দেখান। উনি তো নিজেই ফেক, ভুয়ো। শুরু করেছিলেন ডক্টরেট দিয়ে। জ্যোতিবাবু ধরেছিলেন। বলেছিলেন, জর্জিয়া ইউনিভার্সিটিই নেই। তারপর মমতা আর ডক্টরেট লেখেন না। উনি ভুয়ো, তাই ভিডিওকে ভুয়ো বলবেন সেটাই স্বাভাবিক।
শুভেন্দু বলেন, নিপীড়িত হিন্দু, জনজাতি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এলে থাকা, খাওয়ার জায়গা দেব। বাংলাকে নিরাপদ মনে না করলে অসম, ওডিশা, বিহারে ব্যবস্থা কব। দলাই লামা থেকে শুরু করে শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনাকে আগে এবং এখন, বিভিন্ন সময়ে ভারত সরকার আশ্রয় দিয়েছে এটা পরম্পরা।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস মুক্তি পেলে তাঁকেও ভারত আশ্রয় দেবে কিনা সে বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপার বলেও জানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চৈতন্যদেবের সংস্কৃতি বদলের চেষ্টা করছেন। আর আমরা বিশ্বাসী পৃথিবীর হিন্দু এক হওয়ার বার্তায়।
শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশের পীড়িত হিন্দু, জনজাতিদের পাশে দাঁড়াতে ইসকন, রামকষ্ণ মিশন, মতুয়া, লোকনাথ ব্রহ্মচারী, অমুকূলচন্দ্রের শিষ্য-ভক্ত-সহ সব সনাতনী তৈরি। ওপারের মানুষের পাশে এপারের সনাতনীরা রয়েছেন। যাঁরা আশ্রয় চেয়েছেন, দিয়েছি। থাকার ব্যবস্থা করেছি। মোটা কাপড়, ভাতের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মানবিক কারণেই করা হয়েছে।
বাংলাদেশে জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান আর নয়- হাইকোর্টের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ সম্পর্কে শুভেন্দু বলেন, বাংলাদেশে বিচার-ব্যবস্থা, পুলিশ আর্মি, কেয়ারটেকার সরকার জঙ্গিদের হাতে চলে গিয়েছে। থানায় ঢুকে পুলিশদের মেরে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আর্মির মেজর জেনারেলদের সরানো হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মুছে দেওয়া হচ্ছে। চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীকে মারধর করা হচ্ছে। বিচারপতিদের প্রাণের ভয় রয়েছে, পরিবার রয়েছে। তাঁরা বাধ্য হয়েই তাই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications