RG Kar Doctors' Protest: ছবি দিয়ে নাটক আদালতকে প্রভাবিত করতে, লাইভ হলে মমতার মুখোশ খুলে যেত! খোঁচা শুভেন্দুর
RG Kar Doctors' Protest: নবান্নে পৌঁছেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করা হলো না আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের। লাইভ সম্প্রচার নিয়ে জট না কাটায়।
যদিও এরপরই নবান্নের তরফে কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা হয়। যা হাতিয়ার করে আসরে নেমে পড়ে আজকের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার দায় চাপানোর চেষ্টা হয়েছে আন্দোলন চিকিৎসকদের উপর।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য থেকে তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার- তার একটাই সারমর্ম জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরেই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। পরিষেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। যদিও আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের পাল্টা দাবি, এই তথ্য সঠিক নয়।
আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, মোট চিকিৎসকের সংখ্যার নিরিখে তাঁদের সংখ্যা নগণ্য। আর যদি জুনিয়র চিকিৎসকদের উপরই রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এতটা নির্ভরশীল হয়, তাহলে তার দায় নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের সকলের পদত্যাগ করা উচিত। স্বাস্থ্যমন্ত্রীও এই বেহাল অবস্থার দায় এড়াতে পারেন না।
বিচারাধীন বিষয়ে লাইভ স্ট্রিমিং হয় না বলে যুক্তি দিয়েছে সরকার। যদিও তা অন্তঃসারশূন্য বলে দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে দেখান, ৯ সেপ্টেম্বর নবান্ন সভাঘরেই প্রশাসনিক বৈঠকে আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলন নিয়ে নানা নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু লিখেছেন, "মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিলেন, সেই ছবি সরকার প্রকাশ করলো আদালতকে প্রভাবিত করতে। লাইভ স্ট্রিমিংয়ের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কোনও সম্পর্ক নেই। সুপ্রিম কোর্টের শুনানি তো লাইভ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশ দেখছে।
নবান্নের সভাঘরে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল তার সঙ্গে আদালত অবমাননার কোনও সম্পর্ক নেই। নবান্নের সভাঘরে কি বিচার প্রক্রিয়া চলার কথা ছিল! পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আসলে ওঁর মুখোশ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তাই জুনিয়র ডাক্তারদের ন্যায্য দাবি মানলেন না।
জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করতেন, তাতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে যান। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই চান না এই অচলাবস্থা কাটুক। পরবর্তী শুনানির আগে রাজ্যের উকিল কপিল সিব্বলের হাতে ভুয়ো যুক্তির অস্ত্র তুলে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা কৌশল অবলম্বন করছেন।
মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিলেন, সেই ছবি সরকার প্রকাশ করলো আদালতকে প্রভাবিত করতে।
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) September 12, 2024
লাইভস্ট্রিমিংয়ের সাথে সুপ্রিমকোর্টের রায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। সুপ্রিমকোর্টের শুনানি তো লাইভস্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশ দেখছে।
নবান্নের সভাঘরে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল তার সাথে আদালত… pic.twitter.com/f2FWZr18Oo
মুখ্যমন্ত্রী 'সিমপ্যাথি কার্ড' ব্যবহার করছেন এই বলে যে বৈঠক হলে নাকি নির্যাতিতার জন্য নীরবতা পালন করতেন। অথচ বিধানসভায় অপরাজিতা বিল আনার সময়ে নির্যাতিতার জন্য কোনও শোকপ্রস্তাব ছিল না।
দ্বিতীয়তঃ উনি নাকি দু দিন ঘন্টা দুয়েক অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু অভয়ার মা বাবা, সহকর্মীগণ, নাগরিক সমাজ আজ ৩৩ দিন অপেক্ষায় রয়েছেন, সে ব্যাপারে ওঁর কী মতামত? যে মুখ্যমন্ত্রী প্রসাশনিক বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করেন, তাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করতে তাঁর আপত্তি কোথায়? আইনের যে যুক্তি দিচ্ছেন তা পুরোপুরি ভুয়ো।
মুখ্যমন্ত্রী আসলে লাইভ স্ট্রিমিং করতে ভয় পেয়েছিলেন এই ভাবনা থেকে যে প্রাথমিক পুলিশি তদন্তে যে ফাঁকফোকর রয়েছে, তদন্তের নামে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা ও তাড়াহুড়ো করে দেহ দাহ করা হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন উঠলে উনি জবাব দিতে পারতেন না।"












Click it and Unblock the Notifications