Suvendu Adhikari: রাজ্যপালের কাছে কাল আক্রান্তদের নিয়ে যাচ্ছেন শুভেন্দু, অমিত শাহ দিলেন বড় নির্দেশ
Suvendu Adhikari: ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত, আক্রান্ত, ঘড়ছাড়া শতাধিক কর্মীকে নিয়ে কাল রাজভবনে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশি বাধায় কর্মসূচি আটকেছিল। অবশেষে আদালতের নির্দেশ শুভেন্দুর পক্ষেই যায়।
আজ কোচবিহারে শুভেন্দু জানান, রাজভবন থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় সময় দেওয়া হয়েছে। সে কারণে আজ রাতেই কলকাতায় ফিরতে হবে তাঁকে।

আজ কলকাতায় রাজ্য বিজেপির দফতরে কোর কমিটির বৈঠক রয়েছে। তাতে ১৬ জন উপস্থিত থাকলেও নেই শুভেন্দু অধিকারী ও নিশীথ প্রামাণিক। আজ কোচবিহারে নিশীথকে পাশে নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আজ রাতে বা কাল সকালেই কোর কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তে সই করে দেব। যা সিদ্ধান্ত হবে তাকে পূর্ণ সমর্থন।
বৈঠকে থাকতে না পারার কারণ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, অমিত শাহ ও দিল্লির নেতাদের নির্দেশ, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত, ঘড়ছাড়া কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে। সেটাই করছি। আজ কোচবিহারে সে কারণেই আসা। কর্মী, পঞ্চায়েতের সদস্যদের সঙ্গেও কথা হলো।
শুভেন্দু জানান, কোচবিহার জেলায় জেলাশাসক অরবিন্দ মীনা তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়ে গিয়েছেন। ১৭ রাউন্ড অবধি এগিয়ে থাকা নিশীথকে আইপ্যাকের সঙ্গে মিলে পুলিশকে নিয়ে ইভিএম কারচুপি করে হারিয়েছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, বিধায়ক, বিদায়ী সাংসদদের সঙ্গে ১০ মিনিট দেখা করে কথাও শুনতে চাইলেন না।
শুভেন্দুর কথায়, তৃণমূল জানে কোচবিহারের ফল প্রকৃত ফল নয়। সে কারণে হুমকি, জরিমানা, অত্যাচার করে, জোর করে হাতে তৃণমূলের পতাকা ধরিয়ে পিছনের পথ দিয়ে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দখল করতে চাইছে। নিশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্বে কোচবিহারের নেতৃত্ব সিতাই, নাটাবাড়ি, কোচবিহার দক্ষিণ ও দিনহাটায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়াবেন।
শুভেন্দু জানান, বিজেপির যে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল রাজ্যে আসছে তা যাতে কোচবিহারে আসে তার বন্দোবস্ত করা হবে। ভোটের ফল নিয়ে বিজেপির চার প্রার্থী কলকাতা হাইকোর্টে মঙ্গলবার ইলেকশন পিটিশন দাখিল করছেন। নিশীথের ক্ষেত্রে ইভিএমের সঙ্গে ১৭সি ফর্নের গরমিল ধরা পড়েছে সেই তথ্য জোগাড় করে ইলেকশন পিটিশন দাখিলের পরামর্শ দেন শুভেন্দু।
উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ পুরসভা এলাকায় বরাদ্দ বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন। শুভেন্দু বলেন, খবরে ভেসে থাকতে এ সব উনি বলছেন। উপনির্বাচনে ১ লক্ষ ৬০ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। সেই মার্জিন ২০ হাজারের কমে নেমে এসেছে। বিধানসভা নির্বাচনে সেটা মাইনাস ২০ হাজার হবে। মাথাভাঙা, দিনহাটা ও কোচবিহার শহরের করদাতাদের বলব, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালকে চিঠি দিন, প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হোন।












Click it and Unblock the Notifications