মোদী-মমতার বৈঠকের পরই পত্রবাণ, কী নালিশ জানালেন শুভেন্দু! ইট ছুড়ে খেলেন পাটকেলও

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পত্রবাণ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পত্রবাণ ছুড়লেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিকেলে প্রায় ৪০ মিনিটে কথা হয় প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর। সেখানে রাজ্যের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। তারপরই এদিন পত্রবোমা ছুড়ে শুভেন্দু জানিয়ে দেন, কেন্দ্রের প্রকল্পের টাকা নিয়ে নয়ছয় করছে রাজ্য। পাল্টা তৃণমূল জানাল, রাজ্যকে ভাতে মারার চেষ্টা করছেন শুভেন্দু।

মোদী-মমতার বৈঠকের পরই পত্রবাণ, কী নালিশ জানালেন শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি দিল্লিতে গিয়েছেন নীতি আয়োর বৈঠকে যোগ দিতে। তার আগে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ করে রাজ্যের পাওনা টাকা ও জিএসটি বাবদ বকেয়া নিয়ে দাবি জানান। জানান কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের পাওনা ১ লক্ষ ৯৬৮ কোটি টাকা। এই বিপুল টাকা বকেয়ার ফলে সঠিক সময়ে টাকা পাচ্ছেন না একশো দিনের কাজের শ্রমিকরা। রাজ্যের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন অনুদান থেকে। এই অবস্থায় যত শীঘ্র সম্ভব বকেয়া অনুমোদনের আর্জি জানান মমতা।

তার পাল্টা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। চিঠিতে তিনি লেখেন, বাংলায় কেন্দ্রের প্রকল্পের টাকা নিয়ে নয়ছয় করছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রের প্রকল্প নিজের নামে করে টাকা যত্রতত্র খরচ করা হচ্ছে। সঠিকভাবে ওই টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-সহ একাধিক প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কেন্দ্রের তরফে আম্ফান ও ইয়াসের সময়ে যে টাকা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে। এই দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে বিশেষ নজর দেন। শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, শুধুমাত্র প্রকল্প নয়, গাছ লাগাোর নাম করেও টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। এভাবে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করে চলেছে সরকার। তাই বকেয়া প্রদানের আগে রাজ্যের দুর্নীতির বিষয়ে আগে খতিয়ে দেখা দরকার।

শুভেন্দুর এই কথার সপাট জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, শুভেন্দু অধিকারী পাতে না মারতে মেরে বাংলাকে ভাতে মারার চেষ্টা করছেন। শুভেন্দুর এমনই মনোভাব যেন ওই টাকা বিজেপির। বিভিন্ন রাজ্য থেকে তোলা কর জমা হয় কেন্দ্রের খাতে। যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর তারপর সেই টাকা বণ্টন করা হয় রাজ্যকে। কিন্তু সেই টাকা নিয়ে বরাবর কেন্দ্র বঞ্চনা করে আসছে রাজ্যের সঙ্গে।

তিনি বলেন, রাজ্যের হকের টাকা আটকে দিয়ে ভাতে মারার চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজ্যের মানুষের কাছে তোলা কর কেন রাজ্য ফেরৎ পাবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আর কেন বিজেপির নেতারা কেন্দ্রে তাদের সরকার রয়েছে বলে বৈমাতৃসুলভ আচরণ করতে ইন্ধন দেবে, সে প্রশ্নও উঠছে। বাংলায় থেকে বাংলার মানুষের বিরোধিতা করছেন শুভেন্দুরা। বাংলার মানুষ এর জবাব দিয়েছেন, আগামীদিনে বাংলা থেকে বিতাড়ির করে ছাড়বে বিজেপিকে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+