অভিষেক-পিকেকে না বলার পরে সুদীপ্ত সেনের চিঠি! ষড়যন্ত্রে কে কে, CBI তদন্তে কোন জবাব শুভেন্দুর
তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের আবেদনে আদালত সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সেই চিঠির ভিত্তিতে সিবিআই তদন্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এব্যাপারে তিনি বলেন, তিন বছর আগে তিনি সিবিআই-এর কাছে এব্যাপারে আবেদন করেছিলেন।
এদিন বিরোধী দলনেতা প্রেসিডেন্সি জেল থেকে সুদীপ্ত সেনের লেখা চিঠির স্থান ও কাল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ২০২০-র ১ ডিসেম্বর তাঁকে তৃণমূলে থাকার অনুরোধ করে ব্যর্থ হন অভিষেক-পিকে-সৌগত রায়রা। এরপর ৩ ডিসেম্বর সেই চিঠি সামনে আসে।

শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, এই চিঠির ষড়যন্ত্রে জড়িত প্রেসিডেন্সি জেলের তৎকালীন সুপার। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেও এই চিঠির ব্যাপারে অনেক কিছু জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাঁকে দলে রাখা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পরেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়। প্রসঙ্গত ২০২০-র ১৯ ডিসেম্বর মেদিবীপুরে অমিত শাহের সভার তিনি বিজেপিতে যোগ দেন।
আর ২০২০-র ৩ ডিসেম্বর সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনার লেখা চিঠিতে যেমন কাঁথি পুরসভা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, ঠিক তেমনই তাঁকে ভয় দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু এবং বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

চিঠিতে সারদা কর্তা দাবি করেছিলেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁর কাছ থেকে অনেকভাবে টাকা তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, কাঁথি পুরসভায় পঞ্চাশ লক্ষ টাকা জমা করেছিলেন, কিন্তু প্ল্যান পাশ করানো হয়নি. এছাড়াও তিনি ৯০ লক্ষ টাকাও নিয়েছিলেন। এই চিঠি লেখা ছাড়াও পরবর্তী সময়ে আদালতেও তিনি শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন।
সাম্প্রতিক সময়ে সুদীপ্ত সেনের লেখা চিঠি নিয়ে তদন্ত দাবি করে সিএমএম-এর এজলাসে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী। বিষয়টি নিয়ে শুনানির পরে বিচারক বিষয়টি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। সেই তদন্তকে এদিন স্বাগত জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।












Click it and Unblock the Notifications