তাঁকে রুখতে না পারায় চাকরি গিয়েছে নিরাপত্তারক্ষীদের! মহামান্যের ঘৃণ্য কাজ, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
তাঁকে রুখতে না পারায় চাকরি গিয়েছে নিরাপত্তারক্ষীদের! মহামান্যের ঘৃণ্য কাজ, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (fake vaccination) জেরে আচমকাই ২৫ জুন স্বাস্থ্যভবনে স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। সেখানে তখন তাঁকে এবং সঙ্গে থাকা বিজেপির জন প্রতিনিধিদের বাধা দিতে পারেননি সেখানে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা (security guard)। ফলে নিরাপত্তা পর্যালোচনায় স্বাস্থ্যভবনের নির্দেশে চুক্তি ভিত্তিক চার নিরাপত্তারক্ষীর চাকরি যায় বলে অভিযোগ। এদিন যা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (mamata banerjee) নিশানা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)।

চাকরি ফেরানোর আর্জি
২৬ জুন চাকরি হারান ২৫ জুন স্বাস্থ্যভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৬৩ বছরের প্রাক্তন বিএসএফ কর্মী সুশীল দাস। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকির বাসিন্দা সুশীল দাসের ছেলে বিশেষ প্রতিবন্ধী। তাঁর আয়েই ছেলের চিকিৎসা চলে। স্ত্রী তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। তিনিও সংসারে সাহায্য করেন। তবুও চাকরি হারিয়ে অথৈ জলে সুশীল দাস। তিনি মুখ্যমন্ত্রী পাশাপাশি বিরোধী দলনেতার কাছে কোনও একটি চাকরির সংস্থান করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

টুইটে সরব শুভেন্দু
এদিন টুইটে এবিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি, প্রাক্তন বিএসএফ কর্মী সুশীল দাসের পাশাপাশি ছেলে সৈকতের কথা উল্লেখ করেছেন। চাকরি হারানোর ঘটনায় তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছেন। মহামান্যের ঘৃণ্য কাজ বলে তিনি কটাক্ষ করেছেন।

২৫ জুনের অভিযানে বাধা মানেননি শুভেন্দুরা
বিরোধী বিজেপির অভিযোগ, কোনও আধিকারিকের কাছে সময় চাইলে দেওয়া হয় না। আবার যদিও বা দেওয়া হয়, তাহলে সেই নির্দিষ্ট সময়ে গেলে তাঁকে পাওয়া যায় না। তাই হঠাৎই ২৫ জুন দুপুরে স্বাস্থ্য ভবনে যান শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি। প্রবেশ পথে থাকা বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তারক্ষীরা চেষ্টা করলেও শুভেন্দু অধিকারীরা পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনতলায় স্বাস্থ্য সচিবের ঘরে। যার জেরে পরের দিন স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেন। চাকরি হারানো সুশীল দাস জানিয়েছেন, পরের দিনই তাঁদের চারজনকে বেসরকারি সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, আর আসতে হবে না।

তৃণমূলকে নিশানা মানবাধিকার কর্মীর
যদিও এই ঘটনায় তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার আন্দোলনের কর্মী রঞ্জিত শূর। এদিন তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যভবন কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নাকি? স্বাস্থ্যভবনকে তিনি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত দফতর বলেও বর্ণনা করেন। তিনি আরও দাবি করেন, যাঁদের চাকরি ছাড়ানো হয়েছে, তাঁদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ছেলের চিকিৎসার দায়িত্বও সরকারের নেওয়া উচিত।












Click it and Unblock the Notifications