হেলিকপ্টার ছেড়ে এবার বিমান নিচ্ছে রাজ্য, উদ্দেশ্য নিয়ে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে হেলিকপ্টার ভাড়া করেই চালানো হতো। এবার সরকারি সংস্থা ডব্লুবিটিআইডিসিএল-এর তরফে ই-টেন্ডার দিয়ে বিমান (aircraft) ভাড়া (rent) নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata
এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে হেলিকপ্টার ভাড়া করেই চালানো হতো। এবার সরকারি সংস্থা ডব্লুবিটিআইডিসিএল-এর তরফে ই-টেন্ডার দিয়ে বিমান (aircraft) ভাড়া (hiring) নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata banerjee) নেতৃত্বাধীন সরকার এবার বিমান ভাড়া করতে চলেছে। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)।

ডব্লুবিটিআইডিসিএল-র টেন্ডার
ওয়েস্টবেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের তরফ থেকে ১১ জুন একটি ই-টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। সেখানে আপাতত তিন বছরের জন্য দুই ইঞ্জিনের বিমান ভাড়া নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পরে এই সময়সীমা বাড়িয়ে পাঁচ বছর করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। মাসে ওই বিমান অন্তত ৪৫ ঘন্টা উড়বে বলেও টেন্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্তত পাঁচবছর ধরে পরিষেবা দিচ্ছে এমন সংস্থার কাছ থেকে বিমান ভাড়া নেওয়ার কথা টেন্ডারে। সেখানে আরও বলা হয়েছে বিমানটিতে অন্তত ৮-১০ জনের বসার সুবিধা থাকতে হবে।

অতিথিদের জন্য বিমান ভাড়া
টেন্ডারে বলা হয়েছে, বিমান ভাড়া নেওয়া হবে অতিথিদের জন্য। সেই বিমান অন্তত ফ্যালকন ২০০০-এর মতো হতে হবে। ইন্টেরিয়র ডিজাইন এবং অন্য সুবিধা থাকতে হবে। যাতে অতিথিদের সুবিধা হয়। বিমান চালককে দিনে রাতে পরিষেবা দিতে হবে। যা অতিথিদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এয়ার সেফটি সার্কুলার ১৯৮১-র ০২-র মতো হতে হবে।

বিমান যাবে ভারতের যে কোনও জায়গায়
ই টেন্ডারে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, বিমানটিকে ভারতের মধ্যে একবারে যে কোনো দূরত্ব যাওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। বিমান তৈরির ক্ষেত্রে যে তারিখ সব থেকে কাছে সময়ের হবে, তাকেই বেছে নেওয়া হবে বলে শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ
এই ই-টেন্ডার টুইটারের পোস্ট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষ যখন ভুয়ো টিকা নিয়ে সন্ত্রস্ত তখন (স্বঘোষিত) প্রধানমন্ত্রীর জন্য পুষ্পক রথ। এবার হেলিকপ্টারের বদলে ১০ আসনের বিলাসবহুল বিমান নেবে রাজ্য। সারা দেশে সরকারি খরচে লোকসভা ভোটের প্রচারটাই কি উদ্দেশ্য, প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত ২০২৪-এর দিকে লক্ষ্য রেখে তৃণমূলের তরফে ইতিমধ্যেই আইপ্যাকের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফেও জাতীয়স্তরে নরেন্দ্র মোদী তথা বিজেপি বিরোধী মুখ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তুলে ধরার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications