তৃণমূলে রয়েছে চিহ্নিত দুষ্কৃতী আর পুলিশ, মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু
তৃণমূলে রয়েছে চিহ্নিত দুষ্কৃতী আর পুলিশ, মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু
গত ডিসেম্বরে বিজেপিতে (bjp) যোগ দেওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(mamata banerjee) হারিয়েছেন নন্দীগ্রাম থেকে। হয়েছেন বিরোধী দলনেতা। কিন্তু একসময় যে দলকে কেন্দ্র করে তাঁর উঠে আসা সেই দলকেই আরও একবার কড়া ভাষায় আক্রমণ বর্তমানে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (suvendu adhikari)। এদিন তিনি গিয়েছিলেন এগরায়, মৃত বিজেপি নেতার বাড়িতে।

মৃত বিজেপি নেতার বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী
গত সপ্তাহে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে পুকুর পাড়ে বিজেপি নেতা তপন খাটুয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়। এদিন তাঁরই বাড়িতে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি রাজ্যের শাসসকদল তৃণমূলকে আক্রমণ করেন। বলেন, তৃণমূলের সঙ্গে এখন কোনও সাধারণ মানুষ নেই। রয়েছে শুধু চিহ্নিত কিছু দুষ্কৃতী এবং সাধারণ মানুষ। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি। তবে রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা
স্বাভাবিক ভাবেই শুভেন্দু অধিকারী এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন। তিনি বলেন, তপন খাটুয়ার পরিবার এলাকায় বিজেপি পরিবার হিসেবে চিহ্নিত। গত লোকসভার পাশাপাশি বিধানসভা নির্বাচনেও এই পরিবার বিজেপির হয়ে কাজ করেছে। পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে এই নেতার দেহ উদ্ধার করা হলেও এখনও পর্যন্ত অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু করেনি প্রশাসন।

মঙ্গলবার দেহ উদ্ধার
৩ অগাস্ট মঙ্গলবার এগরার ১ নম্বর ব্লকের কসবা অঞ্চলের হরিচক এলাকার বাসিন্দা বছর পঁয়তাল্লিশের তপন খাটুয়ার দেহ উদ্ধার করা হয় একটি পুকুর থেকে। সকালে মাঠে কাজ করতে যাওয়ার সময় অনেকের নজরে পড়ে পুকুরে দেহ ভাসছে। পুলিশে খবর দেওয়া হয়। তার পরেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছিস আগের দিন অর্থাৎ সোমবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ
সেই সময়ই বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, তপন খাটুয়া এলাকার সক্রিয় নেতা। তিনি এলাকার বুথ কমিটিতেও ছিলেন। সেই কারণে তাঁকে খুন করা হয়েছে। পিছনে রয়েছে তৃণমূলই অভিযোগ করেছিল বিজেপি। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছিল পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই ঘটনা। অন্যদিকে পরিবারের তরফে এই কথা অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছিল, কেউ বা কারা খুন করে পুকুরে ফেলে রেখে দিয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications