শুল্ক হ্রাসে বাধা দিতে কুমিরের কান্না, বিদ্যুত সংশোধনী বিল নিয়ে মমতাকে বিস্ফোরক জবাব শুভেন্দুর
বিদ্যুতের শুল্ক হ্রাসে বাধা দিতে কুমিরের কান্না, বিদ্যুত সংশোধনী বিল নিয়ে মমতাকে বিস্ফোরক জবাব শুভেন্দুর
বিদ্যুত সংশোধনী বিল ২০২০-র (electricity amendment bill 2020) বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (narendra modi) চিঠি লিথেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee)। রবিবার তারই জবাব দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)।

শুভেন্দুর 'কুমিরের কান্না' কটাক্ষ
এদিন শুভেন্দু অধিকারী টুইটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, বিদ্যুত সংশোধনী বিল ২০২০ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যে বিরোধীতি করেছেন, তা কুমিরের কান্নাই বলা যেতে পারে। কেননা তিনি কলকাতায় বেসরকারি সংস্থার স্বার্থরক্ষা করতে চান। এব্যাপারে শুভেন্দু অধিকারী উল্লেখ করেছেন, কলকাতার বিদ্যুতের দাম সব থেকে বেশি। মুখ্যমন্ত্রী যা কিছু করছেন, তা বেসরকারি স্বার্থের জন্য ওকালতি ছাড়া আর কিছুই নয়। শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, প্রতিযোগিতা হলে তা জনস্বার্থে সহাসতা করবেন। যার জেরে বিদ্যুতের শুল্ক হ্রাস পাবে।

মোদী সরকারের দাবি
এই বিল নিয়ে মোদী সরকারের দাবি, আইনে পরিণত হলে দেশের বিদ্যুৎবন্টন সংস্থাগুলি দেশের যে কোনও প্রান্তে কাজ করতে পারবে। এতে বন্টন সংস্থাগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে। তাতে সাধারণ মানুষ সুবিধা পাবেন। বিদ্যুত বন্টনে লাইসেন্স প্রথাও এই বিল আইনে পরিণত হলে শেষ হয়ে যাবে। এখন যেভাবে ইন্টারনেট কিংবা টেলিফোন পরিষেবা দেওয়া হয়, কার্যত সেই পরিস্থিতি তৈরি হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর
শনিবার বিদ্যুত সংশোধনী বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, বিদ্যুত সংশোধনী বিল জনস্বার্থ বিরোধী। এই বিল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আঘাত, রাজ্যের অধিকারকে খর্ব করবে বলেও অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সংসদের বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনা ছাড়াই এই বিল পাশ করাতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যা নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রসঙ্দত ২০২০-তে এই বিল পেশের কথা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যগুলি আলোচনা চেয়েছিল।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ
মুখ্যমন্ত্রী চিঠিতে অভিযোগ করেছেন, বিদ্যুত সংশোধনী বিল ২০২০ আইনে পরিণত হলে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি আরও রুগণ হয়ে পড়বে। তিনি বলেছেন, যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্য একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে, সেখানে এই বিল পাশ হলে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থাগুলি রাজ্যের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

ভোটের প্রচারে বিজেপির অভিযোগ
গত বিধানসভা ভোটের প্রচারেও রাজ্যে বিশেষ করে কলকাতায় বিদ্যুতের দামের অস্বাভাবিক বেশি মূল্য নিয়ে প্রচার করেছিল বিজেপি। সেই সময় তাদের অভিযোগ ছিল রাজ্যে তথা কলকাতায় বিদ্যুতের দাম সব থেকে বেশি। তাদের আরও অভিযোগ ছিল ওই লভ্যাংশের একটা অংশ বেসরকারি সংস্থা 'ভাইপো'র কাছে পৌঁছে দেয়।












Click it and Unblock the Notifications