তবেই বুঝব রাজ্যপাল কিছু করতে চাইছেন! গোপালকৃষ্ণ-ধনখড়ের সঙ্গে তুলনায় শুভেন্দু
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী হাওড়ার শিবপুর ও হুগলির রিষড়ার হিংসা নিয়ে সাংবিধানিক প্রধানকে নিজস্ব ক্ষমতা প্রয়োগ করার আর্জি জানালেন। মঙ্গলবার বিধানসভায় তিনি বলেন, রাজ্যপালের কাছে আমাদের আর্জি এবার এমন একটা সিদ্ধান্ত নিন, যাতে আপনিও কিছু করতে চাইছেন বলে আমরা বুঝতে পারি।
শুভেন্দুর কথায়, এখন পর্যন্ত সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েই ক্ষান্ত থেকেছেন রাজ্যপাল। এবার রাজ্যপালের উচিত কোনো কড়া বন্দোবস্ত নেওয়া। শুভেন্দু দাবি করেন, অবিলম্বে শিবপুর ও রিষড়া থানাকে ৩৫৬ ধারার আওতায় উপদ্রুত ঘোষণা করা হোক। আমি চাই সাংবিধানিক প্রধান তাঁর ক্ষমতা প্রয়োগ করুন।

রাজ্যপালের কাছে তিনি ঘুরি আর্জি জানান, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দিল্লিকে জানান রাজ্যপাল। রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। শুভেন্দু বলেন, অবিলম্বে শিবপুর থানা ও রিষড়া থানাকে ৩৫৬ ধারায় উপদ্রুত ঘোষণা করে একমাসের জন্য থানার দায়িত্ব সিআরপিএফ বা সিআরপিসির হাতে তুলে দেওয়া হোক।
শুভেন্দুর কথায়, রাজ্যপালের কেন্রীিরয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে এই বিষয়ে আবেদন করতেই পারেন। বর্তমান রাজ্যপাল যদি সেই কাজ করতে পারেন, তবেই বলব গোপালকৃষ্ণ গান্ধী, জগদীপ ধনকড়ের মতো বর্তমান রাজ্যপালও কিছু করে দেখাতে চাইছেন। তিনি পশ্চিমবাংলার রাষ্ট্রবাদীদের বাঁচাতে চাইছেন।

এরপর তৃণমূলকে একহাত নিয়ে শুভেন্দু বলেন, তৃণমূল দাবি করেছে শিবপুরের কাজিপাড়ার মিছিলে হামলাকারী ছিল। কিন্তু বিশ্ব হিন্দু পরিষদ প্রমাণ দিয়েছে কাজিপাড়ার মিছিলে হামলাকারী ছিল না। তারপর মিথ্যাবাদী ভাইপো ওই মিছিলে হামলাকারী ছিল, তা প্রমাণ করতে পারেননি। ভাইপো এখন প্রসঙ্গ ঘুরিয়ে দিচ্ছেন।
শুভেন্দু বলেন, এখানে যে আমি দাঁড়িয়ে আছি, আমাকেও মেরে দিতে পারে। এমনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা। শক্তিগড়ে খুনের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। শিবপুরের ঘটনায় ভাইপো যেহেতু ছবি দেখিয়েছেন, মুঙ্গের থেকে তুলে নেওয়া হল।

শুভেন্দু বলেন, বন্দুক নিয়ে ঘোরার লাইসেন্স কাউকে দেওয়া হয়নি। কাজিপাড়ার মিছিলে সুমিত সাউ ছিলেন না। তা প্রমাণ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। আপনি আগে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু সমাজের কাছে ক্ষমা চান। মিছিলের আয়োজকদের কাছে ক্ষমা চান, তারপর কথা বলবেন।
শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নন, শুভেন্দু অধিকারী নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দাঙ্গাবাজ মুখ্যমন্ত্রী বলে আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, বিজেপি কোথাও দাঙ্গা করেনি। বরং এন্টালিতে যেখানে ৬০ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাস, সখানে অন্য সম্প্রদায়ের লোকেরা এসে আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications