'৭৭ সালের এমার্জেন্সিকে ফেল করাল মমতার পুলিশ', রাজভবনের বাইরে ১ ঘণ্টা আটকে থেকে বিস্ফোরক শুভেন্দু
ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২০০ জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে এই অভিযান করার কথা বিজেপি নেতার। কিন্তু রাজভবনে প্রবেশের আগেই আটকে দেওয়া হল তাঁর কনভয়। প্রায় ২০ মিনিট ধরে রাজভবনের বাইরে আটকে রয়েছে শুভেন্দুর কনভয়।
রাজভবন যাওয়ার রাস্তা গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ১৪৪ ধারা জারির মধ্যে ২০০ জনকে নিয়ে কিছুতেই অভিযান করতে দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে বিজেপি কর্মীরা দিকে দিকে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হতে চেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

লোকসভা ভোটে প্রত্যাশিত ফলাফল হয়নি বিজেপির। ১২ আসনেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। তারপর থেকে গোটা রাজ্যে একাধিক জায়গায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা। অনেকেই আতঙ্কে ঘরে ফিরতে পারছেন না। শাসক দলের কর্মীদের অত্যাচারে ঘর ছাড়া অসংখ্য বিজেপি কর্মী।
সেই ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের নিয়ে রাজভবনে নালিশ জানাতে যাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি রাজভবনে। গার্ডরেল দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে রাজভবনের বাইরে আটকে দেওয়া হয় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন গতকালই তিনি রাজ্যপালকে ইমেল করে অনুমতি চেয়েছিলেন। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁকে আসার কথা বলেছিলেন। রাজ্যপালের অনুমতি নিয়েই তিিন এসেছিলেন। কিন্তু মমতার পুলিশ তাঁকে নজিরবিহীন ভাবে আটকে দেয়।
এই নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথাও বলেছেন বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবং রাজ্যপাল পুলিশের কাছে এই িনয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন। পুলিশ কীভাবে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের কাছে যাওয়ার পথ আটকাতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন িতনি। কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনিত গোয়েলের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি অভিযোগ করেছেন এমার্জেন্সির সময়কেও ফেল করে দিয়েছে মমতার পুলিশ। এরকম ঘটনা ভারতের স্বাধীনতার পর কখনও হয়নি বলে প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি কর্মীদের উপরে শাসক দলে অত্যাচার নিপীড়ণ এবং পুলিশের এই আচরণ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিজেপির খারাপ ফলের পর থেকে চাপেই রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি নেতা দীলিপ ঘোষ প্রকাশ্যে এই নিয়ে দলের এক শ্রেণির নেতার বিরুদ্ধে তোপ দেগেছিলেন। তিনি প্রকাশ্যেই অভিযোগ করেছিলেন যে তাঁকে পরিকল্পনা করে মেদিনীপুর থেকে সরানো হয়েছিল। পরিকল্পনা করে তাঁর বিরুদ্ধে কুড়মিদের উস্কে দেওয়া হয়েছিল। মেদিনীপুর থেকে তাঁকে সরানোর জন্য বলা হয়েছিল কুড়মিরা তাঁকে পছন্দ করছে না। তাই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
দিলীপের একের পর এক মন্তব্যের পর আঙুল উঠেছিল শুভেন্দু-সুকান্তর উপরে। কারণে এবারের লোকসভা নির্বাচনে শুভেন্দুর বড় ভূমিকা ছিল। খারাপ ফলের জন্য স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর দিকে আঙুল উঠতে শুরু করেছে। অন্যদিকে আবার সুকান্ত মজুমদারকে মন্ত্রিত্ব দিয়েছে বিজেপি। এবার রাজ্য সভাপতি কে হবেন তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।












Click it and Unblock the Notifications