প্রশাসনিক ভবন না পার্টি অফিস! তৃণমূলের গান শুনে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকের সময় বেজেছে তৃণমূলের গান। ভিডিও পোস্ট করে (যার সত্যতা যাচাই করেনি ওয়ানইন্ডিয়া বাংলা) সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
আজ নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতা একযোগে নিশানা করেন নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে। তার পরেই শুভেন্দু সরব হলেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু লেখেন, "মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী সর্বোচ্চ প্রশাসনিক চেয়ারের সম্মান দিতে জানেন না সেটা ইতিমধ্যেই গোটা দেশের মানুষ দেখেছেন। তিনি তদন্ত চলাকালীন নিজের মুখ্যমন্ত্রী পদের অসম্মান করে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ নথি সকলের সামনে চুরি করে নিয়ে পালালেন! তিনি নিজেকে সকল আইন আদালতের উর্ধ্বে মনে করেন, এমন কি দেশের সংবিধানও মানেন না।
এবার নতুন সংযোজন, রাজ্যের প্রশাসনিক দফতর থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করার সময় ওঁর সোশ্যাল মিডিয়া সম্প্রচারের সময় তৃণমূল কংগ্রেসের গান বাজছে !!! তিনি প্রশাসনিক দফতর থেকে রাজনৈতিক কথা বলে থাকেন বা অন্যান্য রাজনৈতিক দলকেও আক্রমণ করেন, এবং এগুলো জেনেশুনেই করেন তা সবাই জানে। কিন্তু অবস্থা এখন এমনই যে রাজ্যের প্রশাসনিক দপ্তর না তৃণমূলের পার্টি অফিস বোঝা দায়।"
আজ চন্দ্রকোণা রোডে বিশাল মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে শুভেন্দু সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, "গত ১০ তারিখে পুরুলিয়ার পাড়া থেকে আমার রাজনৈতিক কর্মসূচি সেরে ফেরার সময় চন্দ্রকোণা রোডে রাত্রি ৮টা ২০ নাগাদ মমতা পুলিশের প্রচ্ছন্ন মদতে আমার উপর তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী পরিকল্পিত হামলা চালায় এবং প্রাণনাশের চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে আমি সেইদিন চন্দ্রকোণা থানার বিট অফিসে প্রায় পাঁচ ঘন্টার উপর ধর্ণা অবস্থানে বসি এবং পুলিশে লিখিত অভিযোগ জানাই। প্রথমে দলদাস পুলিশ আমার অভিযোগ নিতে গড়িমসি করে এবং পরে পরিস্থিতির চাপে পড়ে অভিযোগ নিতে বাধ্য হয়, কিন্তু প্রাণঘাতী হামলার নির্দিষ্ট ধারাটি দিতে অস্বীকার করে।
আমি সেই দিনই বলেছিলাম যে ১৩ তারিখ অর্থাৎ আজকে ওই দিনের ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে চন্দ্রকোণা রোডেই একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সভা করব। আজ সেইমতো ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির নেতৃত্বের ডাকে চন্দ্রকোণা রোড-এ বিক্ষোভ মিছিল ও সভায় অংশগ্রহণ করলাম। আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি জানান দিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শাসকের গুণ্ডাগিরির বিরুদ্ধে। এই রাজ্যে পরিবর্তন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আজকের কর্মসূচি'র সফল রূপায়ণের জন্য ঝাড়গ্রাম জেলার নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকবৃন্দদের অসংখ্য ধন্যবাদ।"












Click it and Unblock the Notifications