মমতার সরকার মানুষের আবেগকে সম্মান করে না! ধর্ম পালনই শেষ কথা, বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী
হিন্দু ও আদিবাসী সংস্কৃতি ও উৎসব পালনকে সম্মান করে না তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকার। কলকাতায় এমনটাই অভিযোগ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উৎসব পালনের মধ্যেই ১ অক্টোবর থে
হিন্দু ও আদিবাসী সংস্কৃতি ও উৎসব পালনকে সম্মান করে না তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকার। কলকাতায় এমনটাই অভিযোগ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের উৎসব পালনের মধ্যেই ১ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে বিধানসভার (assembly) অধিবেশন ডাকার তীব্র বিরোধিতা করে সরকার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (mamata Banerjee) অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

অধিবেশনের তারিখ পরিবর্তনের দাবি মানেননি অধ্যক্ষ
নিয়ম অনুযায়ী, সরকারপক্ষ বিধানসভার অধিবেশনের তারিখ ঠিক করেন। সেই মতো রাজ্যপালকে জানানো হয়। এব্যাপারে রাজ্যের একমাত্র বিরোধী দল বিজেপিকে জানানো হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, ১ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে বিধানসভার সংক্ষিপ্ততম অধিবেশন বসতে চলেছে। এব্যাপারে শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, গত কয়েকদশকে রাজ্যে বড় উৎসবের মধ্যে বিধানসভার অধিবেশন বসেনি। এমন কী ধর্মকে আফিম বলা বামেরাও করেনি। সেই কারণে পরিষদীয় দলের মুখ্যসচেতম মনোজ টিগ্গা সনাতনী এবং আদিবাসী উৎসবের কথা উল্লেখ করেং অধ্যক্ষকে বিধানসভার অধিবেশনের তারিখ পরিবর্তনের জন্য চিঠি দিয়েছিলেন। এই সময়ে থাকা সবকটি উৎসবের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল চিঠিতে। কিন্তু সেই আবেদন মানেননি অধ্যক্ষ।

গুরুত্বপূর্ণ কারণের কথা উল্লেখ
অধ্যক্ষ বিজেপি পরিষদীয় দলকে পাল্টা দেওয়া চিঠিতে বলেছেন, তিনি অনুরোধ রাখতে পারছেন না বিশেষ কারণে। এরপর মনোজ টিগ্গার সঙ্গে কথোপকথনে অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, সরকার ডিসেম্বরে পুরসভাগুলির নির্বাচন সারতে চায়। সেই কারণেই, কালীপুজো, ছটপুজো, আদিবাসীদের উৎসবের মধ্যেই বিধানসভার অধিবেশনের আয়োজন।

মানুষের আবেগকে সম্মান করে না সরকার
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মানুষের আবেগকে বিজেপি সম্মান করে। তাঁর অভিযোগ বাংলার বর্তমান সরকার হিন্দুদের সনাতনী সংস্কৃতিকে সম্মান করে না। সেই কারণে কলকাতার দুটি মণ্ডপে দুর্গার মুখ বদলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ করে দেওয়া হয় এবং দমদম পার্কের ভারতচক্রের মণ্ডপে জুতো লাগানো হয়। তিনি বলেছেন, এই সরকার সনাতনী সংস্কৃতি এবং আদিবাদীদের ঐতিহ্যকে অস্বীকার করেছে। ধর্মনিরপেক্ষতা নয়, সনাতনী সংস্কৃতি এবং আদিবাসীদের ঐতিহ্যের ওপরে ক্ষমতার আস্ফালন করেছে।

বিধায়করা থাকবেন মানুষের সঙ্গে
শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, অধিবেশনের প্রথম দিনে যেসব বিধায়ক আসতে পারবেন, আসবেন। কিন্তু তারপর থেকে উৎসব শেষ না হাওয়া পর্যন্ত বিধাসকরা মানুষের সঙ্গে, মানুষের পাশে থাকবেন। উৎসব পালন করার পাশাপাশি নিজের নিজের এলাকায় উৎসব নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। তিনি বলেছেন, আস্থায় জায়গায় হল ধর্ম আর মিলনের জায়গা হল উৎসব। সংখ্যাগরিষ্ঠতায় গায়ের জোর দেখানো সরকারের সিদ্ধান্ত তারা মানবেন না বলে জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারী। উৎসব চলাকালীন ধর্ম পালন করবে তাঁরা, সাফ জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। উৎসব শেষ হলে, বিধানসভায় পরিবেশ থাকলে শেষের কয়েকদিন তারা হাজিরে দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications