ভাইপোর সঙ্গে রেষারেষি করছে পিসি! ধরনায় বসা মমতার অভিযোগের জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
ধরনা মঞ্চে এয়ারকুলার এবং ঠান্ডা জলের ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে চিনি ছাড়া ভাল চায়ের ব্যবস্থাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব থেকে ভাল বাসেন নিজেকে। এদিন ধর্মতলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না নিয়ে এমনই কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মিথ্যাচারের ওপরে দাঁড়িয়ে বাংলার সর্বনাশ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিযোগ করেছেন তিনি।

কেন পিসির ধর্না
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ভাইপো শহিদ মিনারে আস্ফালনের ডাক দিয়েছিলেন। কেন তিনি একা ফুটেজ খাবেন। সেই কারণে পিসও ধর্নায় বসে গিয়েছেন। কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কিংবা অন্য কোনও মন্ত্রী যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁরা এইভাবে ধর্না দিতে পারেন না, বলেন তিনি। বিরোধী দলনেতা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কোনও নিয়ম মানে না।

বিপাকে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী ব্যাখ্যা
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ধর্না তো দেবেন বলেছিলেন। কিন্তু কোনও মুখ্যমন্ত্রী এরকম ধর্নায় বসতে পারে না। তাকে কেউ না কেউ সতর্ক করেছেন। তাই ধর্নার মাঝ পথে তিনি বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, তৃণমূল সুপ্রিমো হিসেবে তিনি এই ধর্নায় বসেছেন।

অভিষেকের নাম করলেন
এদিন বিরোধী দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করেছেন। ফের একবার তিনি বলেছেন, তৃণমূল প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির চেয়ারম্যান বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলেন কীর্তিমান ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী দলনেতা বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কোম্পানি থেকে সরে আসছেন।

মমতার অভিযোগের জবাব
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করছেন, কেন্দ্র প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। মনরেগা, আবাস যোজনায় টাকা দিচ্ছে না। ইডি-সিবিআই নিয়েও অভিযোগ করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে কী কী হচ্ছে তা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কয়েকজন সাংসদকে নিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন।
তিনি বলেছেন, প্রত্যেকটা স্কিমের নাম বদল করা হয়েছে। যেমন প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনাকে খাদ্যসাথী বলে চালানো হয়। স্বচ্ছ ভারত অভিযানের নাম বদল করে মিশন নির্মল বাংলা করা হয়েছে। স্টিকার পিসি সত্যি কথা বলেন না, কটাক্ষ করেন তিনি। মনরেগায় জব কার্ডের সংখ্যা ১ কোটি কীভাবে ও কেন কমল প্রশ্ন করেন তিনি। সেই কারণে এই প্রকল্পে টাকা পাওয়া যাচ্ছে না, বলেছেন বিরোধী দলনেতা।

বাম আমলের থেকে ঋণ, বেকারি বেড়েছে
এদিন বিরোধী দলনেতা বলেন, সিপিআইএম ২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ রেখে গিয়েছিল। মাননীয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে ৬ লক্ষ কোটিতে পৌঁছে দিয়েছেন। রাজ্যে বামেদের যাওয়ার সময় বেকার ছিল ১ কোটি, বর্তমানে তা ২ কোটি। তিনি আরও বলেছেন পরিযায়ী শ্রমি ৫.২০ লক্ষ থেকে ৪৫ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications