Suvendu at Mothabari: হাইকোর্টের শর্ত মেনেই মোথাবাড়িতে শুভেন্দু, আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়ে NIA তদন্ত দাবি
Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের অনুমতির পর শুক্রবার মালদহের মোথাবাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী। ১১ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টের মধ্যে শুভেন্দুকে মোথাবাড়ি যেতে অনুমতি দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। সেই মতো নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে মোথাবাড়ি থানা এলাকায় পরিদর্শনে বিরোধী দলনেতা। তাঁকে দেখেই এলাকায় জয় শ্রী রাম স্লোগানের রব ওঠে। আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য ও আশ্বাস বিরোধী দলনেতার।
মোথাবাড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আক্রান্ত পুরুষ-মহিলাদের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী। মোথাবাড়ির পালপাড়ায় শুভেন্দু বলেন, ১৫ দিন পর এরা মুক্তির স্বাদ পেয়েছেন। বিরোধী দলনেতা রয়েছেন, নরেন্দ্র মোদী রয়েছেন, তাই ভয় নেই, গ্রামবাসীদের আশ্বাস শুভেন্দু অধিকারীর। বিরোধী দলনেতার কাছে কান্নায় ভেঙে পড়লেন এক গ্রামবাসী। মোথাবাড়ি অশান্তিতে আহত হয়েছেন তিনি। দোকানে- বাড়িতে হামলা, টাকা-গয়না লুঠপাটের কথা শুভেন্দুকে জানালেন মোথাবাড়ির হিন্দুরা।

কোর্টের অনুমতিতে মোথাবাড়ির তিনটি জায়গায় পরিদর্শন বিরোধী দলনেতার। শুভেন্দু বলেন, "এখানে সরকার মানুষকে প্রোটেকশন না দিয়ে দাবিয়ে রেখেছে। যে ২৪ জনকে ধরেছে তারা প্রকৃত দোষী নয়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আসলদের ধরতে হবে। আমরা এনআইএ, সিবিআই দাবি করছি। কেন হিন্দুরা অত্যাচারিত হবে? দেখার দায়িত্ব কার? মোথাবাড়িতে পুলিশ সুপারকে চিঠি দিয়েছি তিনবার, অনুমতি দেয়নি।"
শুভেন্দু আরও বলেন, "হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে সময়ের মধ্যে চলে এসেছি। তিনটি জায়গায় পরিদর্শন সেরেছি। ৬ জনকে নিয়ে আইনি লড়াই করছি। রিষড়া, ডালখোলার মতোই মোথাবাড়িতে শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব বিরোধী দলনেতার।" শাসকদলের মদতেই মোথাবাড়িতে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। এদিন মালদহের ইংরেজবাজারের বাধাপুকুর মোড়ে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী কর্মী সমর্থকদের নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে স্বাগত জানান।
সপ্তাহ আগে অশান্ত হয়ে ওঠে মোথাবাড়ি। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে দোকান ও গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় সারি সারি বাইক, গাড়ি। রাস্তাতেও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। হিন্দুদের উপর ব্যাপক হামলা চলে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামলাতে মাঠে নেমে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। ৬টি মামলা রুজু করে পুলিশ। জল গড়ায় হাইকোর্টে।
গত শুক্রবার মোথাবাড়িতে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করে বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চ। এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না বলেও জানায় হাইকোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications