মুকুলকে পিএসির চেয়ারম্যান করার প্রতিবাদ, ধনখড়ের কাছে যাচ্ছে শুভেন্দুর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (public accounts committee) চেয়ারম্যান হিসেবে মুকুল রায়ের (mukul roy) নাম ঘোষণা করেন। সঙ্গে সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিজ
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (public accounts committee) চেয়ারম্যান হিসেবে মুকুল রায়ের (mukul roy) নাম ঘোষণা করেন। সঙ্গে সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিজেপি (bjp) বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট এবার। এবার বিজেপি বিষয়টি নিয়ে রাজ্যপাল ধনখড়ের (Jagdeep dhankhar) দ্বারস্থ হতে চলেছে। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির পরিষদীয় দল রাজভবনে যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

মুকুল রায়কে পিএসির চেয়ারম্যান ঘোষণা
শুক্রবার বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় মুকুল রায়কে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন। সাধারণভাবে বিরোধীদলের কাউকে এই পদ দেওয়া হয়। কিন্তু ২০১৬-তে এই প্রথা ভঙ্গ করা হয়েছিল রাজ্যে। কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মানস ভুঁইয়াকে পিএসির চেয়ারম্যান করেছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিধানসভায় যাবতীয় কমিটি থেকে ইস্তফা বিজেপির
শুক্রবার অধ্যক্ষের ঘোষণার পরেই বিজেপি বিধায়করা বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। একইসঙ্গে বিধানসভার যাবতীয় কমিটির প্রধানের পদ থেকেও বিজেপি বিধায়করা সরে যাওয়ার কথা জানান। মূলত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বেই এই কাজ হয়। এরপরেই রাজভবনের কাছে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পরিষদীয় দল যাচ্ছে রাজভবনে
সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজভবনের তরফ থেকে মঙ্গলবার বিকেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সময় দেওয়া হয়েছে। সূত্রের আরও খবর, ৫ বিধায়ককে নিয়ে রাজভবনে যাবেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপালকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে বলার পাশাপাশি একটি অভিযোগ পত্রও তাঁকে দেওয়া হবে। সেই অভিযোগ পত্রটি লেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায়কে।

এর আগেও রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি
প্রসঙ্গত এর আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। জোর করে দলবদল বন্ধ করতে দার্জিলিং-এর রাজভবনে গিয়েছিলেন জন বার্লা-সহ কুমারগ্রাম বিধানসভার বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েত সদস্য-সহ, এক জেলা পরিষদের সদস্যও। তারপরেই রাজ্যপাল টুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহায্য চেয়েছিলেন। এবারও হয়ত সেরকম কিছু হতে পারে। কেননা বিজেপি সূত্রে খবর, পরিষদীয় রাজনীতিতে বিরোধীদলের অধিকারকে শাসকদল খর্ব করতে চলেছে বলে, সেখানে অভিযোগ তোলা হবে। এখন তারপর রাজ্যপাল কী করেন, এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications