শুভেন্দু আদর্শের জন্য লড়ছেন মমতার বিরুদ্ধে! তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাখ্যা নন্দীগ্রামের সম্মুখ-সমরের
নন্দীগ্রামে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই। একুশের নির্বাচনের হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। এই লড়াই রাজনৈতিক তো বটেই, কার্যত ব্যক্তিগত লড়াইয়ে রূপান্তরিত হয়েছে।
নন্দীগ্রামে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর লড়াই। একুশের নির্বাচনের হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। এই লড়াই রাজনৈতিক তো বটেই, কার্যত ব্যক্তিগত লড়াইয়ে রূপান্তরিত হয়েছে। কারণ মমতাই শেষ কথা বলবেন নাকি তাঁর চ্যালেঞ্জার হয়ে উঠবেন শুভেন্দু, সেই প্রশ্নের জবাব দেবে নন্দীগ্রাম।

এটা ব্যক্তিগত লড়াই নয়, লড়াই আদর্শের
এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী ব্যাখ্যা করলেন- এটা ব্যক্তিগত লড়াই নয়। বরং এই লড়াইকে আদর্শের লড়াই বলেই মনে করছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, এটা একটা সাধারণ ভোট। বিরাট কোনও চ্যালেঞ্জ নয়। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের সময় থেকেই বিজেপির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। কারণ লোকে মোদীজি আর বিজেপির দিকে চলে এসেছে।

এবার বিজেপি সাংগঠনিকভাবে অনেক শক্তিশালী
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি অত ছিল না। কিন্তু বাংলার জনতা বিজেপিকে ১৮টা আসনে জিতিয়ে দিয়েছিল। এবার বিজেপি সাংগঠনিকভাবে অনেক শক্তিশালী হয়ে বাংলার ভোট ময়দানে নেমেছে। তাই বিজেপিকে রোখা যাবে না। এই আদর্শের যুদ্ধে তিনিই জয়ী হবেন।

নন্দীগ্রামের জন্য কোনও কাজ করতে দেওয়া হয়নি
শুভেন্দু বলেন, দলের তরফে কোনও কাজ করতে দেওয়া হয়নি। কিন্তু নন্দীগ্রামের জন্য আমি সাংসদ তহবিল থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেক কাজ করেছি। বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে ছোট ছোট অনেক কাজ করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার ১০ বছর পর নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন, আমি আগেও গিয়েছি, এখনও যাই, পরেও যাব।

বাংলার মানুষ মমতার তোষণের রাজনীতি ধরে ফেলেছেন
শুভেন্দু অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তোষণের রাজনীতি করেন। আগেও তিনি তোষণের রাজনীতি করেছেন বিশেষ সম্প্রদায়কে নিয়ে। এখন মন্দিরে মন্দিরে ঘুরছেন। বাংলার মানুষ তাঁর তোষণের রাজনীতি ধরে ফেলেছেন। তাই তিনি এখন মন্দিরে মন্দিরে ঘুরতে বাধ্য হচ্ছেন। এবার জনতা জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি আছে।












Click it and Unblock the Notifications