না আছে জনস্বার্থ, না আছে রাজনীতি! মমতার ৭ নতুন জেলা ঘোষণা নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু
সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) রাজ্যে আরও ৭ নতুন জেলা (dist) তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন। যা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ করে
সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) রাজ্যে আরও ৭ নতুন জেলা (dist) তৈরির কথা ঘোষণা করেছেন। যা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গিয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ করে বলেছেন নতুন জেলা তৈরির পিছনে না আছে জনস্বার্থ, না আছে রাজনীতি। কাছের আইএএস এবং আইপিএসদের জন্যই নতুন জেলা তৈরির সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

জনস্বার্থও নেই, রাজনীতিও নেই
সোমবার রাতে বিরোধী দলনেতা দিল্লি যান। তার আগে দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, রাজ্যে নতুন সাত জেলা তৈরির পিছনে জনস্বার্থও নেই, রাজনীতিও নেই। তিনি বলেন এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যগুলির কাছে আইএএস ও আইপিএসদের কেন্দ্র ও রাজ্য অংশ নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। সাধারণভাবে 60:40 শতাংশের ভিত্তিতে আধিকারিকরা থাকেন। এই সাত জেলা বাড়ানোর মধ্যে দিয়ে আইএএস ও আইপিএসদের যাতে ছাড়তে না হয়, সেই কারণেই এই পদক্ষেপ।

স্তাবক আইএএস ও আইপিএসদের পদক্ষেপ
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বারে বারেই উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রীর স্তাবক আইএএস-আইপিএসদের জন্যই এই পদক্ষেপ। এখান থেকে তাঁদের যাতে ছাড়তে না হয়, সেই জন্যই এই কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পদক্ষেপের ফলে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের হাতে থাকা বাড়তি আইএএস ও আইপিএসদের রাজ্যেই রেখে দিতে পারবেন। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেন্দ্রে ডেপুটেশনে রয়েছেন ১১ জন। কিন্তু কেন্দ্র ৪৪ জন পাবে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছেন, খুব কৌশলগতভাবে এটা করা হয়েছে, যাতে তাঁবেদার আইএএস ও আইপিএসদের কেন্দ্র তুলতে না পারে।

নতুন জেলায় পরিকাঠামো নেই
বিরোধী দলনেতা অভিযোগ করেছেন, এখনও পর্যন্ত যেসব নতুন জেলা এই সরকার তৈরি করেছে, যেমন আলিপুরদুয়ার-ঝাড়গ্রামের মতো জেলায় প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে যেসব পরিকাঠামো দরকার, সেই পরিকাঠামো তৈরি করতে পারেনি সরকার।

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্য সফল হবে না
শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্দেশ্য নিয়ে নতুন জেলা তৈরি করেছেন, সেই উদ্দেশ্য সফল হবে না। তিনি বলেন, এর আগে বঙ্গ নাম হয়নি, বিধান পরিষদও হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী চ্যান্সেলর হতে পারেননি। এটাও হবে না, বলে বিরোধী দলনেতা বিমানবন্দরের মধ্যে ঢুকে যান।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের আগে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এই দিল্লি সফর যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার রাজ্যের বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে দুপুরে সংসদভবনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে দিল্লি যাত্রার আগে এব্যাপারে তিনি কোনও কথা বলতে রাজি হননি।












Click it and Unblock the Notifications