বিধানসভা নির্বাচনের পরেই তৃণমূল বিরোধী দল হয়ে যাবে, মালদহ থেকে ভবিষ্যদ্বাণী শুভেন্দুর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী আসনে বসবে। আজ মালদহ জেলার চাঁচলে পরিবর্তন সংকল্প সভা থেকে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দুর দাবি, বর্তমানে চলতে থাকা ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়াই তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। শুভেন্দু বলেন, "এপ্রিল মাসেই পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দল হয়ে যাবে।"

ক্ষমতায় এলে রাজ্যে আরও উন্নত জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের মহিলাদের আর্থিক সহায়তার 'লক্ষ্মীর ভাণ্ডার' প্রকল্প বিজেপি বন্ধ করে দেবে বলে তৃণমূল মিথ্যা প্রচার করছে। তিনি স্পষ্ট জানান, গেরুয়া শিবির জনগণের জন্য আরও ভালো পরিষেবা নিশ্চিত করবে।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন যে, রাজ্যে তৃণমূল এবং বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের মধ্যে মাত্র ৪০ লক্ষের ব্যবধান ছিল। তিনি আরও জানান, বর্তমান এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

বিরোধী দলনেতা আরও জানান যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মকর সংক্রান্তির পর মালদহ সফরে আসতে পারেন। তৃণমূল নেতাদের বিরোধিতা সত্ত্বেও রাজ্যে ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন কার্যকর হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন আইনটি এখানে বাস্তবায়িত হবে না, কিন্তু তা কার্যকর করা হয়েছে।"

শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বিজেপি রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে চায়, কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্ব ভোটব্যাঙ্কের জন্য বিভাজনের রাজনীতি ও মুসলিম তোষণ করে চলেছে। তিনি বাংলার উন্নয়নের মডেল তুলে ধরে বলেন, "বিজেপি বাংলায় গুজরাতের মতো শিল্প এবং উত্তর প্রদেশ ও বিহারের মতো সুশাসন দেওয়ার কথা বলে।"

শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন যে, আবাসন এবং ১০০ দিনের কাজের (এমজিএনআরইজিএ) প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র থেকে তহবিল না পাওয়ার বিষয়ে তৃণমূল সরকার মিথ্যা অভিযোগ করছে। তিনি আরও গুরুতর অভিযোগ তোলেন যে, এই প্রকল্পগুলির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ অনুমোদনহীন বা অযোগ্য উপভোক্তাদের দ্বারা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

শুভেন্দু বলেন, "যদি বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসে, তাহলে উপভোক্তাদের প্রতিটি বাড়ির জন্য তিন লক্ষ টাকা করে দেবে।" তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের দেওয়া ১.২০ লক্ষ টাকায় একটি বাড়ি তৈরি করা সম্ভব নয়, যা অপ্রতুল বলেই তিনি মনে করেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+