মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ঘর গোছাচ্ছেন শুভেন্দু! নয়া পথ চলা শুরু নন্দীগ্রাম থেকেই
শুভেন্দু অধিকরীকে নিয়ে যতই সাসপেন্স বারুক না কেন, তিনি যে তৃণণূল কংগ্রেস ছাড়তে চলেছেন, তা স্পষ্ট। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসও 'দাদার অনুগামী' হিসাবে পরিচিত নেতাদের ডানা ছাঁটতে শুরু করে দিয়েছে। এদিকে দাদার অনুগামীদের তৎপরতাও বেড়েছে দিনকে দিন। এহেন আবহে এবার নিজের অফিসের ঠিকানা বদল করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী।

দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছেন প্রতিটি ক্ষেত্রে
জানা গিয়েছে, এতদিন নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লকের রেয়াপাড়ায় ব্লক তৃণমূল কার্যালয় থেকে বিধায়কের অফিসের কাজ চলত। কিন্তু তা বুধবার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এদিকে জানা গিয়েছে, নয়া অফিসে 'নন্দীগ্রামের বিধায়ক' কথাটিও লেখা নেই। শুধু লেখা রয়েছে 'শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র'।

ক্রমেই শুভেন্দুকে নিয়ে বাড়ছে জল্পনা
বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা শুরু হয়েছে শুভেন্দুর বিধায়ক পদ ছাড়া নিয়ে। আদৌ কি তিনি বিধায়ক পদ ছাড়বেন? ছাড়লে তাঁৎ পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে? তিনি কি নয়া দল গড়বেন? নাকি বিজেপিতে যোগ দেবেন! এই সব প্রশ্নের মাঝেই মেদিনীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় অধিকারী পরিবারের কেউ হাজির ছিলেন না। যা নিয়ে আরও বেড়েছে জল্পনা।

দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি
দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হওয়ায় ইতিমধ্যে একের পর বিধায়ক, মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা মুখ খুলতে শুরু করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দোপাধ্যায়, শীলভদ্র দত্ত, বালির বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। শুভেন্দুর ক্ষোভ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেও দল সফল হয়নি।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে নিজের ঘর গোছাতে শুরু করলেন শুভেন্দু
অপরদিকে রাজীব বন্দোপাধ্যায়, বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত বেসুরো হতেই তাঁদের ক্ষোভ সামাল দিতে তৎপর হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। যদিও ক্ষুদ্ধ তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত ইতিমধ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর দলের হয়ে একুশের নির্বাচনে লড়বেন না। তাঁর মানভঞ্জনে ব্যারাকপুরের বাড়িতে গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয় জেলা তৃণমূলের সভাপতি ও খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তবে এখনও সব বিদ্রোহীদের মধ্যে তৃণমূলের সব থেকে বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু। এবার সেই শুভেন্দুই তৃণমূলের বিরুদ্ধে নিজের ঘর গোছাতে শুরু করলেন।












Click it and Unblock the Notifications