Suvendu on Nawsad: “ভোটের সময় মাঠে থাকে না, তৃণমূলের বি টিম,” মমতার ফুরফুরা সফরের আগে নওশাদকে খোঁচা শুভেন্দুর
Suvendu Adhikari: সোমবার ফুরফুরা শরিফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইফতারের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফুরফুরায় মমতা। সপ্তাহ আগেই আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর ফুরফুরায় যাওয়া ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সোমবার এনিয়ে মমতা ও নওশাদকে এক সারিতে বসিয়ে তীব্র কটাক্ষ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
দিল্লি উড়ে যাওয়ার ঠিক আগে কলকাতা বিমানবন্দরে সোমবার সকালে শুভেন্দু বলেন, "ভোটব্যাঙ্ক এককাট্টা করতে ফুরফুরায় যাচ্ছেন মমতা। প্রতিবারই বিধানসভা ভোটের আগে যান। ৫ বছর ফুরফুরার কথা, মুসলিমদের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। ২০১৬ তেও গিয়েছিলেন। এখন ভোট এসেছে, তাই ফুরফুরায় যেতে হবে। ছাব্বিশে ভোট আসছে, চাপে আছেন। যে হিন্দুরা তৃণমূলকে ভোট দেন, তারা লাইভ দেখবেন, উনি কীভাবে তোষণের রাজনীতি করেন, প্রমাণ হয়ে যাবে।"

নবান্নে মমতা ও নওশাদের বৈঠক ঘিরে কম জল্পনা হয়নি। এদিন ভাঙড়ের বিধায়ককেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "ও যেদিন ডায়মন্ড হারবার ছেড়ে পালিয়েছে, সেদিনই লোক বুঝে গিয়েছে ও তৃণমূলের বি টিম। শুধু টিভির ক্যামেরায় থেকে দু চারটে জনসভা করলে হবে না। ভোটের দিন মাঠে থাকতে হবে। হাড়োয়া উপনির্বাচনেও মাঠে ছিল না। মাঠে থাকে না। ভোটের দিন ওয়ান ডে ম্যাচ। আমি মাঠে ছিলাম তাই মমতা ব্যানার্জি হেরেছিলেন, আমি জিতেছিলাম।"
প্রসঙ্গত, রমজান মাস উপলক্ষ্যে ফুরফুরা শরিফে সরকারি উদ্যোগে ইফতার সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানেই সামিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ওই একই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্যে আমন্ত্রণও পেয়েছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। যা ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাহলে একই মঞ্চ ভাগ করে নেবেন নওশাদ! বাকি বিরোধীরা তো দূর অস্ত, কিন্তু তাঁর সঙ্গে খোদ মুখ্যমন্ত্রী ও শাসকদলের সখ্যতা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতিতে।
এর আগে সোমবার দুপুর সাড়ে তিনটেয় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারে গিয়ে অপেক্ষা করেন নওশাদ। সাড়ে পাঁচটায় সময় দেওয়া থাকলেও তার অনেক আগে নবান্নে পৌঁছন তিনি। নওশাদ জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তারপর তাঁকে ডেকে নেন। এরপরই নিজের অভিযোগের কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানান নওশাদ। প্রায় ২৫ মিনিট দুজনের বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। সব শুনে এদিন মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে সমস্যার সমাধানের আশ্বাসও দিয়েছেন বলে জানান নওশাদ।
তবে নবান্নে তাঁর হঠাৎ আবির্ভাব ঘিরে জল্পনা দানা বেঁধেছে। এরপর নওশাদকে প্রশ্ন করা হয় তিনি তৃণমূলে যোগ দেবেন কিনা। একগাল হেসে নওশাদ বলেন, "আমার নিজের দল আছে। সেই দলের চেয়ারম্যান আমি। টানা ৪২ দিন জেল খেটেছি। ১৩ খানা কেস মাথায় নিয়ে ঘুরছি।"












Click it and Unblock the Notifications