Suvendu Adhikari: বিধানসভায় শুভেন্দুর উপর হামলা তৃণমূল বিধায়কের! গুরুতর অভিযোগে চিঠি যাচ্ছে অধ্যক্ষর কাছে
Suvendu Adhikari: বিধানসভার লবিতে শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা। এই অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তিনি এবং বিজেপি বিধায়করা বিধানসভায় নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন।
এ কথা জানিয়ে শুভেন্দু চিঠি দিচ্ছেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। বিজেপির বিধায়ক ও সাংবাদিকদের সামনেই ঘটে অপ্রীতিকর ঘটনা।

বাংলার নানা প্রান্তে সালিশি, মাতব্বরির নামে নারী নিগ্রহের ঘটনার অভিযোগ তুলে ধরে বিধানসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকায় অন্য কোনও মন্ত্রীকে এই বিষয়ে বিবৃতি দিতে বলা হয়।
রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাবি করেন, বাংলায় নারী সুরক্ষা বিঘ্নিত হলে কঠোর পদক্ষেপ করে সরকার। যদিও সেই বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেনি বিজেপি। স্বরাষ্ট্র দফতরের বিষয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ শাসক ও বিরোধী দলের বিধায়করা পান না। সে কারণে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাতেও ক্ষুব্ধ বিজেপি।
বিধানসভার অন্দরে নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে তুমুল হৈ-হট্টগোলের পর বেরিয়ে আসেন বিজেপি বিধায়করা। মহিলা বিধায়করা বিধানসভার গেটে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বাকি বিধায়করাও সেখানে যোগ দেন।
শুভেন্দু যখন বিধানসভার ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসছিলেন তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে চড়া মেজাজে কিছু প্রশ্ন করতে দেখা যায় পূর্বস্থলী উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, তপনের কন্যা দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি চাকরি পেয়েছেন বলে নির্বাচনী সভায় তোপ দেগেছিলেন শুভেন্দু।
এদিন বিধানসভায় সেই বিষয়েই শুভেন্দুর কাছে কিছু জানতে চান তপন। শুভেন্দুও তাঁর দিকে এগিয়ে যান। কিছুক্ষণ বাকবিতণ্ডা চলে। সেই সময়ই তপন তাঁকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করেন, ধাক্কা মারেন বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। ঘটনার প্রতিবাদে স্লোগান তোলেন বিজেপি বিধায়করা।
শুভেন্দু সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বিধায়করা যাঁরা কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা পাই, তাঁদের নিরাপত্তারক্ষীদের বাইরে রেখেই বিধানসভার ভিতরে প্রবেশ করতে হয়। এর আগেও তপন আমার উপর বিধানসভার ভিতরেই চড়াও হয়েছিলেন। তারপর তিনিই এদিন হামলা চালালেন।
এই ঘটনায় তিনি এবং বিজেপির সমস্ত বিধায়কই বিধানসভার গেটের ভিতর প্রবেশ করার সময় থেকে নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন বলে দাবি শুভেন্দুর। গোটা ঘটনাটি জানিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে শুভেন্দু বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দেবেন বলে জানিয়েছেন। সবমিলিয়ে বিধানসভার লবিতে বিরোধী দলনেতার উপর হামলার ঘটনা রাজ্য-রাজনীতিতে শোরগোল ফেলে দিল।












Click it and Unblock the Notifications