তাঁকে জেলে ঢোকাতে সরকার-তৃণমূলের ৩৩০ কোটি জলে! তদন্তে ভয় কিসের, নাম না করে অভিষেককে নিশানা শুভেন্দুর
তদন্তে মুখোমুখি হতে ভয় কিসের? এদিন বিধানসভার বাইরে করা সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রশ্ন করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত আটকাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খাওয়ার পরে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন।
বারে বারে তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পর্কে জবাব দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডাকা উচিত মনে করলে, কেন তারা (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের অন্যরা) হাইকোর্ট কিংবা সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে জনস্বার্থ মামলা করছেন না।

রবিবার পরে সোমবার ফের একবার শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর চাপ দিয়ে বলেছেন, পিসি-ভাইপোকে ছেড়ে রেখেছে সিবিআই। শুভেন্দু অধিকারী এদিনও নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে প্রশ্ন করেছেন, তদন্তের মুখোমুখি হতে ভয় কিসের।
শুভেন্দু অধিকারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে বলেছেন, কথায় কথায় বলেন, ফাঁসির দড়ি গলায় পড়ব। তা এত ভয় কিসের। কেন ইডি-সিবিআইকে আটকাতে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, কোর্টের নির্দেশে এজেন্সি বাধ্য হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকতে। তিনি বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত কে সবাই জানেন।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা তদন্ত আটকাতে বিরোধী দলনেতাকে জেলে ঢোকাতে এখনও পর্যন্ত ৩৩০ কোটি টাকা খরচ করে ফেলেছে। এইসবই খরচ করেছে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নামীদামি আইনজীবীদের পিছনে। এর মধ্যে সরকারের কোষাগার থেকে ২৯২ কোটি আর তৃণমূলের ৩৮ কোটি।

তৃণমূলের টাকার উৎস নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেছেন, গত দেড় বছরে ডিয়ার লটারি এসবিআই-এর ইলেক্টোরাল বন্ডে ৩০০ কোটি টাকা দিয়েছে। যা ডিয়ার লটারি ও তৃণমূল তাদের ফিনান্সিয়াল ডিক্লারেশনে উল্লেখ করেছে। তিনি কটাক্ষে বলেছেন, রাজ্য সরকারি কর্মী ও পুলিশ কর্মীদের ডিএ মেরেই ২৯২ কোটি তাঁকে জেলে ঢোকাতে খরচ করা হয়েছে।
বিরোধী দলনেতা কটাক্ষ করে বলেছেন, তৃণমূল মনে করে পুলিশ তাদের দাস। আর কিছু আইপিএস অফিসার তৃণমূলের দাসত্ব করেন। সরকারের কোষাগার থেকে জনগণের টাকায় তাঁদের বেতন হয়, সেই বুদ্ধি লোপ পাওয়াতেই এই পরিস্থিতি, বলেছেন তিনি।
এগরার পরে বজবজের বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা পুলিশ মন্ত্রীর অপসারণ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ব্যর্থ। আদালত সরকারের ওপরে আস্থা রাখতে পারছে না। গোটা রাজ্য আগ্নেয়গিরির ওপরে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications