কংগ্রেসে রয়েছে বিজেপির স্পাই! তাই পরিবর্তন আনতে দরকার তৃণমূলকেই, অকপট সুস্মিতা
সম্প্রতি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের হাত ধরেছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য রাজ্য থেকে বিজেপির অপসারণ। সেই লক্ষ্য নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে এসেছেন তিনি। কংগ্রেস নিয়ে তাঁর কোনও অভিযোগ নেই।
সম্প্রতি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের হাত ধরেছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য রাজ্য থেকে বিজেপির অপসারণ। সেই লক্ষ্য নিয়েই মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের দলে এসেছেন তিনি। কংগ্রেস নিয়ে তাঁর কোনও অভিযোগ নেই। সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, কংগ্রেস এখনও দল থেকে হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্পাই মুক্ত করতে পারেনি। তাই রাজ্যে দরকার তৃণমূলকে।

অসমে ফিরেই খেলা হবে স্লোগান তুলেছেন সুস্মিতা
সুস্মিতা দেব বাংলায় এসে তৃণমূলে যোগ দিয়ে নিজের রাজ্য অসমে ফিরেই খেলা হবে স্লোগান তুলেছেন। বলেছেন তাঁর বিশ্বাসের কথা। তাঁর কথায়, অসমে বিজেপিকে শাসন ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে নতুন ভোর আনতে পারে একমাত্র তৃণমূলই। কংগ্রেসের পক্ষ ক্ষমতায় ফেরার লড়াই এখানে বেশ কঠিন। তার কারণ, কংগ্রেসের অন্দরে এখনও রয়ে গিয়েছে হিমন্ত বিশ্বশর্মার লোকজন।

কংগ্রেসে রয়েছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মার লোকজন
হিমন্ত বিশ্বশর্মা কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে এসে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন। অসমে বিজেপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। কিন্তু কংগ্রেসের পক্ষ অসমে লড়াই করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কেননা কংগ্রেস কিছুতেই হিমন্ত বিশ্বশর্মার লোকজনকে সরাতে পারছে না দল থেকে। কংগ্রেসের অন্দরের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে তিনি তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন বলে দাবি।

কংগ্রেস-তৃণমূলের জোট-প্রসঙ্গে সুস্মিতা
কংগ্রেস ছাড়লেও তিনি এদিন তৃণমূলের সঙ্গে জোটের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন। তুলে ধরেছেন রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুগলবন্দির কথা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে আগুন রয়েছে, আপ্রাণ চেষ্টা রয়েছে। আর রাহুল গান্ধীর রয়েছে দূরদৃষ্টতা, তিনি আদর্শবাদী নেতা। দুই শক্তিকে যদি এক করা যায়, তবে সাফল্য আসবেই।

তবে কেন কংগ্রেস ছাড়লেন সুস্মিতা
রাহুল গান্ধীর প্রতি অগাধ আস্থা, তারপরই কেন তিনি কংগ্রেস ছাড়লেন, কেনই বা যোগ দিলেন তৃণমূলে, সেই প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে সুস্মিতা ব্যাখ্যা করেন, অসমে বিরোধীরা হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপির সঙ্গে আপোষ করে চলছে। ফলে হারিয়ে গিয়েছে বিরোধীরা। কিন্তু তৃণমূল তা কখনই করবে না ফলে তৃণমূল অসমে সফল হবে। সফল হবে ত্রিপুরাতেও। ত্রিপুরাকে কোনওদিন গুরুত্ব দেয়নি কংগ্রেস। দুটি লোকসভা আসন বলে এড়িয়ে গিয়েছে। কিন্তু মমতা বন্যোয়নপাধ্যায় ও অভিষেকের ভাবনা অন্য। তাঁরা ত্রিপুরাকে গুরুত্ব দেবেন।

মমতার হাত ধরা মানে সোনিয়ার হাত ছাড়া নয়
আর সুস্মিতা দেব বারবার বলেছেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেছেন মানে এই নয় যে তিনি সোনিয়া গান্ধীর হাত ছেড়েছেন। তিনি এই কথার মধ্যে দিয়ে জল্পনা তৈরি করেছেন। তিনি বুঝিয়ে দিতে চাইছেন, কংগ্রেস ছেড়ে উত্তর-পূর্বর দুই রাজ্যের জন্য তাঁর তৃণমূলে আসা। তাঁর লক্ষ্য বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও জোরদার করা। উত্তর-পূর্ব যেটা কংগ্রেস পারছে না, সেটা পারবে তৃণমূল।

তৃণমূলের হয়ে দুই রাজ্যের মুখ হবেন সুস্মিতা!
সুস্মিতা চাইছেন তৃণমূলের হয়ে দুই রাজ্যের মুখ হয়ে উঠতে। ত্রিপুরা ও অসমকে তিনি হাতের তালুর মতো চেনেন। এই দুই রাজ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা তুমুল। আর এই দুই রাজ্যকে তৃণমূল পাখির চোখ করেছে, তাঁদের রাজনৈতিক ক্ষমতা বিস্তারের উদ্দেশ্যে। সুস্মিতার মতো নেত্রীকে পেয়ে মমতা-অভিষেক উভয়েই চাইবেন তাঁকে দুই রাজ্যে তৃণমূলের পথ প্রদর্শক হিসেবে।












Click it and Unblock the Notifications