জল্পনাই সত্যি হল, তৃণমূলে যোগ দিয়েই নবান্নে সুস্মিতা দেব, টুইটে জানালেন ডেরেক
জল্পনাই সত্যি হল, তৃণমূলে যোগ দিয়েই নবান্নে সুস্মিতা দেব, টুইটে জানালেন ডেরেক
জল্পনা সত্যি করেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে আসা অসমের নেত্রী সুস্মিতা দেব। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাকস্ট্রিটের অফিসে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। আজ সকালেই তিনি কংগ্রেস ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন সোনিয়া গান্ধীকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে আশির্বাদ চেয়ে ছিলেন সুস্মিতা দেব।

তৃণমূলে সুস্মিতা দেব
অবশেষে সেই তৃণমূল কংগ্রেসেই যোগ দিলেন সুস্মিতা দেব। কংগ্রেস ছাড়ার কয়েক ঘণ্টায় মধ্যেই কলকাতায় পৌঁছন তিনি। তারপরেই ক্যামাকস্ট্রিটে ডেরেক ওব্রায়েনের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে পৌঁছন সুস্মিতা দেব। সেখানে অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকের পরেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। আগে থেকেই এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। টুইটে তাঁর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের ছবি শেয়ার করেছেন ডেরেক ওব্রায়েন। তারপরেই নবান্নে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।

উত্তর পূর্বে কি মুখ সুস্মিতা
সুস্মিতার এই কংগ্রেস ছাড়ার ঘটনাটা অপ্রত্যাশিতই ছিল দিল্লির কাছে। রণদীপ সুরজেওয়ালা নিজেই বলেছেন সুস্মিতার মতো একজন দক্ষ রাজনীতিক কেনএই কাজ করলেন সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না। সুস্মিতার বাবা সন্তোষ মোহন দেব ছিলেন রাজীব জমানার কংগ্রেস সাংসদ। এক প্রকার পারিবারিক সুত্রেই কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। অত্যন্ত্র সক্রিয় ছিলেন কয়েকদিন আগে পর্যন্ত। রাহুল গান্ধীর টুইটারের সঙ্গে তাঁর টুইটারও লক করা হয়েছিল। মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী ছিলেন সুস্মিতা। দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পরেও কেন তিনি দল ছাড়লেন তা আঁচ করতে পারেনি হাইকমান্ড। তবে সোনিয়া গান্ধীকে যে পদত্যাগ পত্র তিনি লিখেছেন েসটা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ ছিল। পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনের জন্য সোনিয়ার কাছে আশীর্বাদ চেয়েছেন সুস্মিতা।

এবার কি অসম নিজের মেয়েকে চায়
সুস্মিতার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। অসমে এবার দলের শক্তি বাড়াতে কি অসম নিজের মেয়েকে চায় স্লোগানে ভর করবে তৃণমূল কংগ্রেস এই নিয়ে জল্পনা চলছে। কারণ বাংলা নিজের মেয়েকে চায় প্রচার করেই বাংলায় বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অসম এবং ত্রিপুরায় দলের মুখ করার জন্য মহিলা মুখকেই দরকার ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। সেই অভাব কী সুস্মিতার মত শক্ত পোক্ত রাজনীতিক পূরণ করতে পারবেন এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে ত্রিপুরায় েয সুস্মিতা ভাল করে সংগঠনের কাজে লাগানো হবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।

সিএএ কাঁটা
কংগ্রেসে থাকাকালীনই মোদী সরকারের সিএএ বিলকে সমর্থন করেছিলেন সুস্মিতা। এই নিয়ে প্রবল বিতর্কও হয়েছিল। তৃণমূল কংগ্রেস কিন্তু সিএএ আইনের ঘোর বিরোধী। এবার সুস্মিতা কী করবেন। এবারও কি তিনি সিএএ-র দাবিতেই কথা বলবেন না দলের নীতি মেনে সিএএ-র বিরোধিতা করবেন সেটা এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।যদিও সিএএ আইন কার্যকর করার বিষয়টি এখন পিছিয়ে গিয়েছে। আপাতত উত্তর পূর্বে সংগঠনকে মজবুত করারা গুরুত্ব পূর্ণ দায়িত্ব সুস্মিতাকে দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। কারণ উত্তর পূর্বে দীর্ঘদিন রাজনীতি করার সুবাদে সেখানকার অভিঘাতগুলি ভাল করে চেনেন তিনি। সুস্মিতার সেই অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications