SSC Case: গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় "জালিয়াতি"! SSC মামলার রায়ে ঠিক কী কী নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের?
SSC Case: এসএসসি মামলায় বড় ধাক্কা রাজ্য সরকারের। ২০১৬ সালের গোটা প্যানেলই বাতিলের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ই বহাল রেখে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের ঘোষণা সর্বোচ্চ আদালতের। নিয়োগে ব্যাপক পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, জানালেন খোদ প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। ঠিক কী কী বলা হল রায়ে?
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও প্রতারণা হয়েছে বলে উল্লেখ প্রধান বিচারপতির। এসএসসিকে বারবার সুযোগ দেওয়া হলেও যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের বাছাই করাই সম্ভব হয়নি। আর এবার পুরো প্যানেলই বাতিলের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালতের রায় শুনেই ভেঙে পড়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। দুর্নীতি না করেও দুর্নীতির জাঁতাকলে পড়লেন তাঁরা।

ঠিক কী কী বলা হল সুপ্রিম কোর্টের SSC রায়ে?
- হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করার কিছু নেই। যোগ্য অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি
- ২০১৬ সালের এসএসসি-তে নিয়োগের পুরো প্যানেলই বাতিল।
- পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা ও বৈধতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
- চাকরিহারাদের প্রত্যেকেই ফের পরীক্ষায় বসতে পারবেন।
- তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
- যারা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালে এসএসসির মাধ্যমে যোগদান করেছিলেন, তারা চাইলে পুরোনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন।
- নিয়ম বহির্ভূতদের চার বছরের বেতন তিন মাসের মধ্যে ফেরত দিতে হবে।
- নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে বয়সের ছাড় দিতে হবে।
- ক্যানসার আক্রান্ত সোমা দাস চাকরি করতে পারবেন। বাকি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা কাজ করতে পারবেন না। মানবিকতার খাতিরে চাকরি রইল বীরভূমের নলহাটির ক্যানসার আক্রান্ত সেই সোমা দাসের।
প্রসঙ্গত, স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার রায় ঘোষণা সুপ্রিম কোর্টের। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ রায় ঘোষণা করে। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে এসএসসি মামলার শুনানি শেষ হয়। রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত। বুধবার সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
দুর্নীতির অভিযোগে গত ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসারক ও বিচারপতি মহম্মদ সব্বরের ওই রায়ের ফলে চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। চাকরিচ্যুত হন একাদশ-দ্বাদশ, নবম-দশমের শিক্ষক এবং গ্রুপ ডি ও গ্রুপ-সির কর্মীরা। বৃহস্পতিবারের রায়ে কলকাতা হাইকোর্টেরই রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications