সুকান্তর অভিযোগ ধোপে টিকল না, রাজ্যের ৫ আমলাকে তলবে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
লোকসভার প্রিভিলেজ কমিটির নোটিসে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের ৫ আমলাকে নোটিস পাঠিয়ে তলব করেছিল প্রিভিলেজ কমিটি। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। সেই নোটিসে স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেছিলেন সাংসদ হওয়ার পরেও তাঁকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এই নিয়ে লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তারপরেই লোকসভার সচিবালয় রাজ্যের পাঁচ আমলাকে নোটিস পাঠায়। সেই তালিকায় ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব , রাজ্য পুলিশের ডিজিও।

লোকসভার স্বাধিকার ভঙ্গ কমিটির সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিেলন মুখ্যসচিব গোপালিকা। সেই মামলার শুনািন ছিল আজ সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে। ৪ সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে সাংসদ হলেও সুকান্ত মজুমদার আইনের উর্ধেব নন। সন্দেশখালিতে পরিস্থিতি তাঁর যাওয়ার অনুকূল ছিল না বলেই তাঁকে যেতে দেওয়া হয়নি।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারার জারির প্রতিবাদে বসিরহাট থানা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি এবং সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু তাঁকে অভিযান করতে দেওয়া হয়নি। আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এই নিয়ে তুমুল অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছিল সন্দেশখালিতে। বসিরহাটের একটি হোটেলে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি সন্দেশখালি যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটকে দেয় পুলিশ।
পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। গাডির বনেটে উঠে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকে পুলিশের গাড়িতেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জোর করে তাঁকে সন্দেশখালিতে যেতে দেওয়া হয়নি অভিযোগ করে লোকসভার অধ্যক্ষর কাছে নালিশ ঠুকেছিলেন সুকান্ত মজুমদার।
বিজেপি সাংসদের অভিযোগ পেয়েই লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি মুখ্যসচিব গোপালিকা এবং ডিজি সহ রাজ্যের ৫ আমলাকে নোটিস পাঠায় এবং হাজিরা দিতে বলে। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যসচিব। তাঁর করা মামলাতেই এই নোটিসে স্থগিতাদেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
গত কয়েকদিনে বিজেপির প্রতিনিধি দল বারবার সন্দেশখালিতে ঢোকার চেষ্টা করেছে কিন্তু পুলিশ নানা কারণ দেখিয়ে তাঁেদর আটকে দেয়। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির প্রতিনিধি দল ঢোকার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এমনকী নাড্ডার পাঠানো হাইপাওয়ার প্রতিনিধি দলকেও ঢুকদে দেওয়া হয়নি সন্দেশখালিতে। এদিকে গতকাল রাজ্যের তিন মন্ত্রী ১৪৪ ধারার মধ্যেও অনায়াসেই সন্দেশখালিতে প্রবেশ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications