শুভেন্দুর সমর্থনে কোলাঘাটে পথ অবরোধ, অস্বস্তি কাটছে না দলে

স্থানীয় সূত্রে খবর, রূপনারায়ণ সেতুর কাছে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ অবরোধ শুরু করেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। হাতে ছিল দলের ঝান্ডা, মুখে 'শুভেন্দু অধিকারী জিন্দাবাদ' স্লোগান। তাঁরা দাবি জানান, অবিলম্বে শুভেন্দুবাবুকে পুরনো পদে বসাতে হবে। সবই মুকুল রায়ের চক্রান্ত বলে দাবি করেন তাঁরা।
এর আগে রবিবার কাঁথিতে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ের কুশপুতুল দাহ করা হয়। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য ছিল, "শুভেন্দু অধিকারীকে যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে সরানো, শিউলি সাহাকে দলের সাধারণ সম্পাদক পদে শুভেন্দুর সঙ্গে একসঙ্গে বসানো ও বিধায়ক অখিল গিরিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কার্যকরী সভাপতি করার মূল চক্রী হলেন মুকুল রায়। উনিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভুল বুঝিয়েছেন। তাই মুকুল রায়ের পদত্যাগ চাই।"
লালগড় ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বলেছেন, "জঙ্গলমহল হাসছে বলে দিদি প্রচার করছেন। এটা সম্ভব হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর জন্যই। সেই মানুষটা যদি দলে না থাকেন, তা হলে আমাদের আর থাকার কী দরকার?" বোঝা যাচ্ছে, পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও পশ্চিম মেদিনীপুরেও ভাল প্রভাব পড়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ২৯টি ব্লকের মধ্যে ২৫টি ব্লকের সভাপতিরা শুভেন্দু অধিকারীর পাশে দাঁড়িয়েছেন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অতনু গিরি এবং সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ দত্ত বলেছেন, "জেলার যে কোনও জায়গায় দু'টি জনসভার আয়োজন করা হোক। একদিকে থাকুন শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে জেলার বাকি নেতারা। দেখা যাক, লোকে কাকে দেখে বেশি ভিড় করে!" নাম না করে এঁরা তোপ দেগেছেন জেলা কার্যকরী সভাপতি অখিল গিরিকে। কারণ অখিলবাবু গত রবিবার বলেছিলেন, শুভেন্দু অধিকারীর কোনও জনপ্রিয়তা নেই। সবই গল্প।
শুধু দুই মেদিনীপুর নয়, বিক্ষোভের রেশ ছড়িয়েছে উত্তরবঙ্গেও। সদ্য অপসারিত জলপাইগুড়ি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, "আমিও শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী। ওঁর সঙ্গে অন্যায় ব্যবহার করা হয়েছে।"












Click it and Unblock the Notifications